সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ভারতীয় আমদানির প্রভাবে হিলিতে কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি

বাজারে বিক্রির জন্য রাখা কাঁচামরিচ। ছবি : সংগৃহীত

ভারত থেকে ধারাবাহিকভাবে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকায় দিনাজপুরের হিলি বাজারে দেশীয় কাঁচামরিচের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ৭০ টাকা কমে বর্তমানে দেশীয় কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আমদানি বৃদ্ধির ফলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে গিয়ে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।

 

 

 

 

বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে দেশীয় কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ার পর থেকেই পাইকারি বাজারে সরবরাহ বাড়তে থাকে। এর প্রভাব দ্রুত খুচরা বাজারেও পড়ে এবং মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা কমে যায়।

 

 

 

 

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা অটোরিকশাচালক জামিলুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েকদিন আগেও কাঁচামরিচের দাম এত বেশি ছিল যে প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনতে হতো। এখন ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে বলে আশা করছি।’

গৃহিণী আকলিবা বেগম বলেন, কাঁচামরিচ ছাড়া রান্না কল্পনা করা যায় না। দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচও বেড়ে গিয়েছিল। এখন দাম কমতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

 

হিলি বাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুদ পারভেজ জানান, ভারত থেকে নিয়মিত কাঁচামরিচ আসায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে। সেই প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। ফলে আগের তুলনায় অনেক কম দামে দেশীয় কাঁচামরিচ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে।

 

 

ব্যবসায়ী মো. সোনামিয়া বলেন, ভারতীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজার আরও স্থিতিশীল হবে। এতে দাম আরও কমে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

 

 

 

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকেই বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় দেশীয় কাঁচামরিচের ওপর চাপ কমেছে এবং চাহিদা-সরবরাহের ভারসাম্য তৈরি হওয়ায় দাম দ্রুত কমছে। আগামী কয়েকদিন আমদানি অব্যাহত থাকলে কাঁচামরিচের বাজার আরও স্থিতিশীল হবে এবং দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

ভারতীয় আমদানির প্রভাবে হিলিতে কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি

আপডেট টাইম : ০৪:১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ভারত থেকে ধারাবাহিকভাবে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকায় দিনাজপুরের হিলি বাজারে দেশীয় কাঁচামরিচের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ৭০ টাকা কমে বর্তমানে দেশীয় কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আমদানি বৃদ্ধির ফলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে গিয়ে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।

 

 

 

 

বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে দেশীয় কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ার পর থেকেই পাইকারি বাজারে সরবরাহ বাড়তে থাকে। এর প্রভাব দ্রুত খুচরা বাজারেও পড়ে এবং মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা কমে যায়।

 

 

 

 

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা অটোরিকশাচালক জামিলুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েকদিন আগেও কাঁচামরিচের দাম এত বেশি ছিল যে প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনতে হতো। এখন ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে বলে আশা করছি।’

গৃহিণী আকলিবা বেগম বলেন, কাঁচামরিচ ছাড়া রান্না কল্পনা করা যায় না। দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচও বেড়ে গিয়েছিল। এখন দাম কমতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

 

হিলি বাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুদ পারভেজ জানান, ভারত থেকে নিয়মিত কাঁচামরিচ আসায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে। সেই প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। ফলে আগের তুলনায় অনেক কম দামে দেশীয় কাঁচামরিচ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে।

 

 

ব্যবসায়ী মো. সোনামিয়া বলেন, ভারতীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজার আরও স্থিতিশীল হবে। এতে দাম আরও কমে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

 

 

 

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকেই বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় দেশীয় কাঁচামরিচের ওপর চাপ কমেছে এবং চাহিদা-সরবরাহের ভারসাম্য তৈরি হওয়ায় দাম দ্রুত কমছে। আগামী কয়েকদিন আমদানি অব্যাহত থাকলে কাঁচামরিচের বাজার আরও স্থিতিশীল হবে এবং দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।