সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ায় ১৫ বাংলাদেশি আটক

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • ৩৩ জন দেখেছেন

ভিসা জালিয়াতি করে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যে প্রবেশের সময় ১৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে সারাওয়াক মনিটরিং অ্যান্ড ইনফোর্সমেন্ট ইউনিট ( ইউপিকেপি)।

সোমবার (২৮ জুলাই) কুচিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেআইএ) সারাওয়াক ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট মালয়েশিয়া (জিআইএম) ও সারাওয়াক মনিটরিং অ্যান্ড ইমপোর্টমেন্ট ইউনিট ( ইউপিকেপি) যৌথ পর্যবেক্ষণে তাদের আটক করে।

জিআইএম ও ইউপিকেপির তথ্যমতে, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সারওয়াক বিমান বন্দরে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটক করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন সিস্টেমে প্রবেশের জন্য তাদের কোনো রেকর্ড ছিল না। পাসপোর্ট পরীক্ষা করার পর জাল অভিবাসন স্ট্যাম্প ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে প্রতারণা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আটক বাংলাদেশিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মালয়েশিয়া প্রবেশের জন্য বাংলাদেশি সিন্ডিকেট/ এজেন্সি ১৮-২০ হাজার রিংগিত নিয়েছে।

আটকদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর অধীনে অধিক তদন্তের জন্য সেমুজা ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
78
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ১৫ বাংলাদেশি আটক

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

ভিসা জালিয়াতি করে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যে প্রবেশের সময় ১৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে সারাওয়াক মনিটরিং অ্যান্ড ইনফোর্সমেন্ট ইউনিট ( ইউপিকেপি)।

সোমবার (২৮ জুলাই) কুচিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেআইএ) সারাওয়াক ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট মালয়েশিয়া (জিআইএম) ও সারাওয়াক মনিটরিং অ্যান্ড ইমপোর্টমেন্ট ইউনিট ( ইউপিকেপি) যৌথ পর্যবেক্ষণে তাদের আটক করে।

জিআইএম ও ইউপিকেপির তথ্যমতে, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সারওয়াক বিমান বন্দরে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটক করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন সিস্টেমে প্রবেশের জন্য তাদের কোনো রেকর্ড ছিল না। পাসপোর্ট পরীক্ষা করার পর জাল অভিবাসন স্ট্যাম্প ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে প্রতারণা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আটক বাংলাদেশিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মালয়েশিয়া প্রবেশের জন্য বাংলাদেশি সিন্ডিকেট/ এজেন্সি ১৮-২০ হাজার রিংগিত নিয়েছে।

আটকদের মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর অধীনে অধিক তদন্তের জন্য সেমুজা ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।