নওগাঁর রাণীনগর অঞ্চলে চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলনের আশা করছেন এই এলাকার চাষীরা। তারা মনে করছেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার বেশি ফলন পাওয়া যাবে। তবে আলু উত্তোলনের সময় কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন চাষিরা। এখন শেষ মূহুর্তে আলুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
গত বছর আলুর আবাদ করতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়েন চাষিরা। প্রথমে আলুর দাম থাকলেও ভরা মৌসুমে আলুর দাম কমে যাওয়ায় অনেককে লোকসান গুনতে হয়। তাই অনেকেই এবার আলুর চাষ করছেন না। তবে পূর্বের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই বেশী পরিমান জমিতে আলু লাগিয়েছেন। রাণীনগরের সিলমাদার, ভেটি, গুচিয়া গাড়ি, ছাতারদিঘী,হরিপুর বিভিন্ন এলাকার মাঠজুড়ে দেখা গেছে আলুর আবাদ।
চারদিকে শুধু সবুজ আর মাটির গন্ধ।উপজেলার প্রতিটি মাঠ জুড়ে এখন আলু গাছের সবুজ পাতার রঙে মুখরিত ফসলের মাঠ। পরিশ্রম আর স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আলু চাষিরা। চলতি মৌসুমে রাণীনগরের প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই ব্যাপকভাবে আলু চাষ হয়েছে।
আবহাওয়া এইরকম অনুকূলে থাকলে আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার মোসাঃ মোস্তাকিমা খাতুন বলেন, এবছর রাণীনগর উপজেলায় (১০ হাজার ৪৫ হেক্টর) জমিতে আলুর চাষ হচ্ছে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে (২১ হাজার ৬৪০মেট্রিক টন) আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে থেকে কিভাবে অনুকূল পরিবেশে আলু উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে। এবং কৃষক অনেক আশাবাদী এ বছর আলু থেকে অধিক লাভবান হতে পারবে।
সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও ন্যায্য বাজার নিশ্চিত করা গেলে আলু চাষ হতে পারে কৃষকের স্বচ্ছলতার অন্যতম মাধ্যম।

রাণীনগর( নওগাঁ) প্রতিনিধি । জনতার কণ্ঠ.কম 



















