সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রায়গঞ্জ-তাড়াশের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান ভিপি আইনুল

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম

রায়গঞ্জ-তাড়াশের সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান বিএনপি নেতা ভিপি আইনুল হক। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম সুখী সমৃদ্ধ রায়গঞ্জ-তাড়াশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইতিমধ্যে তিনি সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক থাকায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ভিপি আইনুল হক বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য সচিব পদে ছিলেন। এছাড়াও উপজেলা যুবদল এবং উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। আজীবন শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করেছেন তিনি।

ভিপি আইনুল হক রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

স্কুল জীবনেই শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন আইনুল হক। কলেজ জীবনে এসে ছাত্রদলের রাজনীতিতে নিজেকে পুরোপুরি জড়িয়ে ফেলেন। এপর থেকেই শুরু হয় তার বিরামহীন সাহসী কর্মকান্ড। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে সক্রিয় মাঠে থাকেন। ছাত্র রাজনীতিতে বাড়তে থাকে তাঁর জনপ্রিয়তা। তিনি চান্দাইকোনা ডিগ্রি কলেজে তিন বার ভিপি নির্বাচিত হন।

তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকরা অনেকবার হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে। এক সময় সবাই তাকে মৃত  মনে করে জানাযার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু সেই অবস্থা থেকেও আল্লাহর রহমতে বেঁচে যান তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, ওয়ান ইলেভেনে মঈনুদ্দিন-ফকরুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং সর্বশেষ টানা সাড়ে ১৫ বছর স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে মাঠ কাঁপিয়েছেন আইনুল হক। দলের কঠিন সময়েও হাল ছেড়ে দেননি। হামলা, মামলা, নির্যাতন উপেক্ষা করে তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির সকল কর্মসূচিতে নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত থেকেছেন।

এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ক্ষমতাসীনদের রোষানলের স্বীকার হতে হয়েছে তাকে। একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। দফায় দফায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে নিয়ে গেছে স্বৈরাচারি সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনী।

দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে রয়েছে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক। ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের শাসনামলে চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও মামলার খড়গ মাথায় নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করে রেকর্ড পরিমাণ ভোটে নির্বাচিত হন।

আইনুল হক বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। জনগণের সমর্থন নিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ ও সু- সংগঠিত করে আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক জীবনে ভিপি আইনুল হক বিভিন্ন পদ অলংকৃত করেছেন। তিনি  জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চান্দাইকোনা কলেজ শাখার সভাপতি, পরবর্তীতে রায়গঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর জাতীয়তাবাদী যুবদল রায়গঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন। ১৯৯৬ সালে সাত দলীয় জোটের এবং ২০০১ সালে চার দলীয় জোটের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সদস্য সচিবের দায়িত্বও পালন করেন ভিপি আইনুল।

ভিপি আইনুল বিগত সরকারের দায়ের করা ১৭টি মামলায় অসংখ্যবার জেল খেটেছেন। ১/১১ তে ফকরুদ্দিন সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি ও তারেক রহমানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দেয়াল লিখন, পোস্টারিং, বিক্ষোভ মিছিল করার কারণে তিন বছর জেল খেটেছেন তিনি।

তিনি ২০১০ সালে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার আলোচিত ট্রেন পোড়ানো মামলায় কারাবরণ করেন। সর্বশেষ স্বৈরাচারি আওয়ামী লীগ সরকারের মামলায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে অমানবিক নির্যাতন সহ্য করেছেন।

ভিপি আইনুল হক বলেন, আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ পালন করে দলকে সুসংগঠিত রাখতে কাজ করেছি।

আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এই নির্বাচনে মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার রাজনৈতিক, সামাজিক অবস্থানের কারণে নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আমাকে প্রার্থী হিসেবে চাইছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে আমি আমার প্রিয় সংগঠন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে চাই।

আর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে অবহেলিত রায়গঞ্জ-তাড়াশ ও সলঙ্গার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই।

আমি নির্বাচিত হলে সকলের সহযোগিতা নিয়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম সুখী সমৃদ্ধ রায়গঞ্জ-তাড়াশ গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রায়গঞ্জ-তাড়াশের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান ভিপি আইনুল

আপডেট টাইম : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম

রায়গঞ্জ-তাড়াশের সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান বিএনপি নেতা ভিপি আইনুল হক। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম সুখী সমৃদ্ধ রায়গঞ্জ-তাড়াশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইতিমধ্যে তিনি সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক থাকায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ভিপি আইনুল হক বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য সচিব পদে ছিলেন। এছাড়াও উপজেলা যুবদল এবং উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। আজীবন শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করেছেন তিনি।

ভিপি আইনুল হক রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

স্কুল জীবনেই শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন আইনুল হক। কলেজ জীবনে এসে ছাত্রদলের রাজনীতিতে নিজেকে পুরোপুরি জড়িয়ে ফেলেন। এপর থেকেই শুরু হয় তার বিরামহীন সাহসী কর্মকান্ড। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে সক্রিয় মাঠে থাকেন। ছাত্র রাজনীতিতে বাড়তে থাকে তাঁর জনপ্রিয়তা। তিনি চান্দাইকোনা ডিগ্রি কলেজে তিন বার ভিপি নির্বাচিত হন।

তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকরা অনেকবার হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে। এক সময় সবাই তাকে মৃত  মনে করে জানাযার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু সেই অবস্থা থেকেও আল্লাহর রহমতে বেঁচে যান তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, ওয়ান ইলেভেনে মঈনুদ্দিন-ফকরুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং সর্বশেষ টানা সাড়ে ১৫ বছর স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে মাঠ কাঁপিয়েছেন আইনুল হক। দলের কঠিন সময়েও হাল ছেড়ে দেননি। হামলা, মামলা, নির্যাতন উপেক্ষা করে তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির সকল কর্মসূচিতে নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত থেকেছেন।

এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ক্ষমতাসীনদের রোষানলের স্বীকার হতে হয়েছে তাকে। একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। দফায় দফায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে নিয়ে গেছে স্বৈরাচারি সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনী।

দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে রয়েছে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক। ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের শাসনামলে চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও মামলার খড়গ মাথায় নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করে রেকর্ড পরিমাণ ভোটে নির্বাচিত হন।

আইনুল হক বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। জনগণের সমর্থন নিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ ও সু- সংগঠিত করে আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক জীবনে ভিপি আইনুল হক বিভিন্ন পদ অলংকৃত করেছেন। তিনি  জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চান্দাইকোনা কলেজ শাখার সভাপতি, পরবর্তীতে রায়গঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবং জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর জাতীয়তাবাদী যুবদল রায়গঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন। ১৯৯৬ সালে সাত দলীয় জোটের এবং ২০০১ সালে চার দলীয় জোটের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সদস্য সচিবের দায়িত্বও পালন করেন ভিপি আইনুল।

ভিপি আইনুল বিগত সরকারের দায়ের করা ১৭টি মামলায় অসংখ্যবার জেল খেটেছেন। ১/১১ তে ফকরুদ্দিন সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি ও তারেক রহমানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দেয়াল লিখন, পোস্টারিং, বিক্ষোভ মিছিল করার কারণে তিন বছর জেল খেটেছেন তিনি।

তিনি ২০১০ সালে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার আলোচিত ট্রেন পোড়ানো মামলায় কারাবরণ করেন। সর্বশেষ স্বৈরাচারি আওয়ামী লীগ সরকারের মামলায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে অমানবিক নির্যাতন সহ্য করেছেন।

ভিপি আইনুল হক বলেন, আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ পালন করে দলকে সুসংগঠিত রাখতে কাজ করেছি।

আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এই নির্বাচনে মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার রাজনৈতিক, সামাজিক অবস্থানের কারণে নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আমাকে প্রার্থী হিসেবে চাইছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে আমি আমার প্রিয় সংগঠন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে চাই।

আর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে অবহেলিত রায়গঞ্জ-তাড়াশ ও সলঙ্গার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই।

আমি নির্বাচিত হলে সকলের সহযোগিতা নিয়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম সুখী সমৃদ্ধ রায়গঞ্জ-তাড়াশ গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।