সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রেফারির সিদ্ধান্ত-ভিএআর প্রযুক্তি নিয়ে সুইজারল্যান্ড কোচের ক্ষোভ

আর্জেন্টিনার কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-১ ব্যবধানে হারের পর রেফারির সিদ্ধান্ত এবং ভিএআর প্রযুক্তি নিয়ে তোপ দাগলেন সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন। বিশেষ করে দলের অন্যতম সেরা তারকা ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনাটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য ভুল’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকিন তার এই ক্ষোভ ও হতাশা বিন্দুমাত্র আড়াল করেননি। এমবোলোর লাল কার্ড নিয়ে ইয়াকিন বলেন, ‘আমাদেরকে স্রেফ একটি ভুলের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

 

ওই লাল কার্ড দেওয়ার মতো কোনো কারণই ছিল না। আমি এখনো বুঝতে পারছি না রেফারি কেন এমনটি করলেন।


ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘সেটি ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি পরিস্থিতি; সেখানে কোনো অসৎ বা হিংসাত্মক উদ্দেশ্য ছিল না। রেফারির ওই একটি ভুল সিদ্ধান্ত আমাদের শাস্তি দিয়েছে এবং আমাদের পুরো খেলার পরিকল্পনা ওলটপালট করে দিয়েছে।

 


ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে এমবোলো যখন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (ডাইভিংয়ের অভিযোগে) দেখে মাঠ ছাড়েন, তখন সুইজারল্যান্ড কেবল সমতায় ফিরেছিল। ইয়াকিনের দাবি, সেখানে স্পষ্ট ফাউল ছিল। তিনি বলেন, ‘ওই সিদ্ধান্তটি ছিল অবিশ্বাস্য। আমি এর সাথে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করছি। সেখানে স্পষ্ট শারীরিক সংঘর্ষ হয়েছিল। আমি জানি না রেফারি এবং ভিএআর রুমের কর্মকর্তারা কী দেখে সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে এটি ডাইভিং ছিল!’

 

আর্জেন্টিনাকে ফিফা বা রেফারিরা বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াকিন কিছুটা নমনীয় হলেও ক্ষোভ ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘আমি বলব না যে আর্জেন্টিনা পক্ষপাতিত্বের শিকার হয়েছে। মাঠের লড়াইটা সমানে সমান ছিল এবং দুই দলই ভালো ফুটবল খেলেছে। কিন্তু দিনশেষে বলতে বাধ্য হচ্ছি, আজ মাঠের ফুটবল জয়ী হয়নি। আমরা আমাদের কোনো ভুলের জন্য নয়, বরং রেফারির ভুলের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছি।’

 

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে ওই লাল কার্ডকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন এই সুইস কোচ। তিনি বলেন, ‘ওটিই ছিল ম্যাচের নির্ণায়ক মুহূর্ত, যা আমাদের পরাজয় নিশ্চিত করেছে। এখন অভিযোগ করে হয়তো আর লাভ হবে না। তবে আমি আর্জেন্টিনাকে তাদের জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেফারির সিদ্ধান্ত-ভিএআর প্রযুক্তি নিয়ে সুইজারল্যান্ড কোচের ক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০১:৪১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনার কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-১ ব্যবধানে হারের পর রেফারির সিদ্ধান্ত এবং ভিএআর প্রযুক্তি নিয়ে তোপ দাগলেন সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন। বিশেষ করে দলের অন্যতম সেরা তারকা ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনাটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য ভুল’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকিন তার এই ক্ষোভ ও হতাশা বিন্দুমাত্র আড়াল করেননি। এমবোলোর লাল কার্ড নিয়ে ইয়াকিন বলেন, ‘আমাদেরকে স্রেফ একটি ভুলের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

 

ওই লাল কার্ড দেওয়ার মতো কোনো কারণই ছিল না। আমি এখনো বুঝতে পারছি না রেফারি কেন এমনটি করলেন।


ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘সেটি ছিল অত্যন্ত সাধারণ একটি পরিস্থিতি; সেখানে কোনো অসৎ বা হিংসাত্মক উদ্দেশ্য ছিল না। রেফারির ওই একটি ভুল সিদ্ধান্ত আমাদের শাস্তি দিয়েছে এবং আমাদের পুরো খেলার পরিকল্পনা ওলটপালট করে দিয়েছে।

 


ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে এমবোলো যখন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (ডাইভিংয়ের অভিযোগে) দেখে মাঠ ছাড়েন, তখন সুইজারল্যান্ড কেবল সমতায় ফিরেছিল। ইয়াকিনের দাবি, সেখানে স্পষ্ট ফাউল ছিল। তিনি বলেন, ‘ওই সিদ্ধান্তটি ছিল অবিশ্বাস্য। আমি এর সাথে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করছি। সেখানে স্পষ্ট শারীরিক সংঘর্ষ হয়েছিল। আমি জানি না রেফারি এবং ভিএআর রুমের কর্মকর্তারা কী দেখে সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে এটি ডাইভিং ছিল!’

 

আর্জেন্টিনাকে ফিফা বা রেফারিরা বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াকিন কিছুটা নমনীয় হলেও ক্ষোভ ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘আমি বলব না যে আর্জেন্টিনা পক্ষপাতিত্বের শিকার হয়েছে। মাঠের লড়াইটা সমানে সমান ছিল এবং দুই দলই ভালো ফুটবল খেলেছে। কিন্তু দিনশেষে বলতে বাধ্য হচ্ছি, আজ মাঠের ফুটবল জয়ী হয়নি। আমরা আমাদের কোনো ভুলের জন্য নয়, বরং রেফারির ভুলের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছি।’

 

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে ওই লাল কার্ডকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন এই সুইস কোচ। তিনি বলেন, ‘ওটিই ছিল ম্যাচের নির্ণায়ক মুহূর্ত, যা আমাদের পরাজয় নিশ্চিত করেছে। এখন অভিযোগ করে হয়তো আর লাভ হবে না। তবে আমি আর্জেন্টিনাকে তাদের জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই।’