সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, প্রাণহানি বেড়ে ৮

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছে ২০ জন। পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।

 

 

 

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার ৫নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। টানা ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হঠাৎ পাহাড় ধসে পড়ে খাদিজাতুল কোবরা মাদ্রাসা ও হিফজ খানার ওপর। শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

ক্যাম্পের বাসিন্দা করিম শাহাদাত জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসায় ৩০ জনেরও বেশি ছাত্রী কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। এ সময় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ধস শুরু হলে কয়েকজন ছাত্রী দৌড়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। তবে বেশিরভাগই কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

One thought on “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, প্রাণহানি বেড়ে ৮

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, প্রাণহানি বেড়ে ৮

আপডেট টাইম : ০৮:০২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছে ২০ জন। পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।

 

 

 

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার ৫নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। টানা ভারী বৃষ্টির মধ্যেই হঠাৎ পাহাড় ধসে পড়ে খাদিজাতুল কোবরা মাদ্রাসা ও হিফজ খানার ওপর। শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

ক্যাম্পের বাসিন্দা করিম শাহাদাত জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসায় ৩০ জনেরও বেশি ছাত্রী কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। এ সময় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ধস শুরু হলে কয়েকজন ছাত্রী দৌড়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। তবে বেশিরভাগই কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।