সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

র‌্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ অধিকারের

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৭:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪০ জন দেখেছেন

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে র‌্যাব বিলুপ্তিসহ ১০টি সুপারিশ তুলে ধরেছে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক স্মরণ সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরেন অধিকারের সিনিয়র রিসার্চার তাকসিম তাহমিনা।

সুপারিশগুলো হলো : ১. সব গুমের ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত; ২. নিখোঁজদের সন্ধানে জাতীয় কৌশল ও নীতিমালা প্রণয়ন; ৩. ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার; ৪. Certificate of Absence প্রদান ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ; ৫. সাক্ষী ও ভুক্তভোগী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন; ৬. সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ বাতিল বা সংশোধন; ৭. র‌্যাব বিলুপ্তি; ৮. গুমের প্রমাণ নষ্টকারীদের বিচারের আওতায় আনা; ৯. দ্রুত ও ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণ; ১০. ICPPED বাস্তবায়ন ও ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

অধিকার দাবি করে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সাবেক সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে গুমকে ব্যবহার করেছে। গোপন বন্দিশালার মাধ্যমে বিরোধী রাজনীতিক ও সরকারবিরোধীদের আটক করে নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যা করা হয়েছে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গুম তদন্ত কমিশনে ব্যাপক অভিযোগ দাখিল হয়। কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ‘তিন স্তরের পিরামিড’-এর মাধ্যমে গুম বাস্তবায়ন হতো, যার শীর্ষে ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

বর্তমানে গুমের নতুন ঘটনা না ঘটলেও বিচার প্রক্রিয়া ধীর গতিতে চলছে। অধিকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যদি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে গুম আবারও ফিরে আসতে পারে।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

র‌্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ অধিকারের

আপডেট টাইম : ০৭:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে র‌্যাব বিলুপ্তিসহ ১০টি সুপারিশ তুলে ধরেছে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক স্মরণ সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরেন অধিকারের সিনিয়র রিসার্চার তাকসিম তাহমিনা।

সুপারিশগুলো হলো : ১. সব গুমের ঘটনায় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত; ২. নিখোঁজদের সন্ধানে জাতীয় কৌশল ও নীতিমালা প্রণয়ন; ৩. ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার; ৪. Certificate of Absence প্রদান ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ; ৫. সাক্ষী ও ভুক্তভোগী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন; ৬. সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ বাতিল বা সংশোধন; ৭. র‌্যাব বিলুপ্তি; ৮. গুমের প্রমাণ নষ্টকারীদের বিচারের আওতায় আনা; ৯. দ্রুত ও ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণ; ১০. ICPPED বাস্তবায়ন ও ফরেনসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

অধিকার দাবি করে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সাবেক সরকার কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে গুমকে ব্যবহার করেছে। গোপন বন্দিশালার মাধ্যমে বিরোধী রাজনীতিক ও সরকারবিরোধীদের আটক করে নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যা করা হয়েছে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গুম তদন্ত কমিশনে ব্যাপক অভিযোগ দাখিল হয়। কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ‘তিন স্তরের পিরামিড’-এর মাধ্যমে গুম বাস্তবায়ন হতো, যার শীর্ষে ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

বর্তমানে গুমের নতুন ঘটনা না ঘটলেও বিচার প্রক্রিয়া ধীর গতিতে চলছে। অধিকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যদি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে গুম আবারও ফিরে আসতে পারে।