সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

সংলাপ থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশকে বের করে দিলো ইসি

দলের একটি অংশের আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে ইসলামী ঐক্যজোটের অন্য অংশের প্রতিনিধি দলকে। প্রথম পর্বের সংলাপে গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

দলের একটি অংশের আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে ইসলামী ঐক্যজোটের অন্য অংশের প্রতিনিধি দলকে। বের করে দেওয়া প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে ছিলেন মুফতি আবুল হাসানাত আমিনী। ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ প্রতিনিধি দলের আপত্তির মুখে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের নির্দেশে তাদের বের হয়ে যেতে হয়।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম পর্বের সংলাপের শুরুতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনসহ নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও ৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টায় সংলাপ শুরুর কথা থাকলেও দলগুলোর প্রতিনিধিরা আগেই নিজ নিজ আসনে অবস্থান করেন। সংলাপ শুরুর কয়েক মিনিট আগে সেখানে প্রবেশ করেন ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ প্রতিনিধি দল। এ সময় আগে থেকে আসন গ্রহণ করা অংশ মুফতি আবুল হাসনাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোটের আরেক অংশকে লক্ষ্য করে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যায়িত করেন মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি।

তিনি বলেন, ‘তারা বিগত ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল। ২০২৪ সালসহ প্রতিটি একতরফা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আওয়ামী লীগকে বৈধতা দিয়েছে। তারা এখানে থাকলে আমরা থাকবো না।’

এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের কাছে নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণপত্র দেখতে চান। সাখাওয়াত হোসেন রাজি আমন্ত্রণপত্র দেখালেও হাসনাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন অংশ তাদের আমন্ত্রণপত্রের হার্ডকপি দেখাতে পারেননি।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘হার্ডকপি না থাকলে আপনারা চলে যান।’ এরপর তারা বের হয়ে গেলে আসনে বসেন সাখাওয়াত হোসেন রাজির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

চলে যাওয়ার সময় দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একতরফা সিদ্ধান্তে আমাদের বের করে দিয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে আমাদের নিবন্ধন রয়েছে।’

প্রথম পর্বের সংলাপে গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

সংলাপ থেকে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশকে বের করে দিলো ইসি

আপডেট টাইম : ০৪:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

দলের একটি অংশের আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে ইসলামী ঐক্যজোটের অন্য অংশের প্রতিনিধি দলকে। প্রথম পর্বের সংলাপে গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

দলের একটি অংশের আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে ইসলামী ঐক্যজোটের অন্য অংশের প্রতিনিধি দলকে। বের করে দেওয়া প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্বে ছিলেন মুফতি আবুল হাসানাত আমিনী। ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ প্রতিনিধি দলের আপত্তির মুখে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের নির্দেশে তাদের বের হয়ে যেতে হয়।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম পর্বের সংলাপের শুরুতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনসহ নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও ৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টায় সংলাপ শুরুর কথা থাকলেও দলগুলোর প্রতিনিধিরা আগেই নিজ নিজ আসনে অবস্থান করেন। সংলাপ শুরুর কয়েক মিনিট আগে সেখানে প্রবেশ করেন ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ প্রতিনিধি দল। এ সময় আগে থেকে আসন গ্রহণ করা অংশ মুফতি আবুল হাসনাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোটের আরেক অংশকে লক্ষ্য করে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যায়িত করেন মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি।

তিনি বলেন, ‘তারা বিগত ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল। ২০২৪ সালসহ প্রতিটি একতরফা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আওয়ামী লীগকে বৈধতা দিয়েছে। তারা এখানে থাকলে আমরা থাকবো না।’

এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের কাছে নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণপত্র দেখতে চান। সাখাওয়াত হোসেন রাজি আমন্ত্রণপত্র দেখালেও হাসনাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন অংশ তাদের আমন্ত্রণপত্রের হার্ডকপি দেখাতে পারেননি।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘হার্ডকপি না থাকলে আপনারা চলে যান।’ এরপর তারা বের হয়ে গেলে আসনে বসেন সাখাওয়াত হোসেন রাজির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

চলে যাওয়ার সময় দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একতরফা সিদ্ধান্তে আমাদের বের করে দিয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে আমাদের নিবন্ধন রয়েছে।’

প্রথম পর্বের সংলাপে গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন।