সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্ত্রীকে এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করলো মাদকাসক্ত স্বামী

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৭১ জন দেখেছেন

জনতার কন্ঠ প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জের পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যাবার সময় জনতার হাতে আটক হয়েছে মাদকাসক্ত স্বামী।

রোববার (২৪ আগষ্ট) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কান্দাপাড়া খাঁ পাড়াতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধু রঞ্জনা খাতুন (৩৮) ওই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের স্ত্রী।

আটক স্বামী ইব্রাহিম  হোসেনকান্দাপাদা খাঁ পাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আহসানুজ্জামান রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে জানান, গৃহবধু রঞ্জনা খাতুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে ইব্রাহিম। এরপর সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে রাখে।

খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করেছি। নিহতের সুরুতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।

93
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীকে এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করলো মাদকাসক্ত স্বামী

আপডেট টাইম : ১১:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কন্ঠ প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জের পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে এলোপাথারি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যাবার সময় জনতার হাতে আটক হয়েছে মাদকাসক্ত স্বামী।

রোববার (২৪ আগষ্ট) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কান্দাপাড়া খাঁ পাড়াতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধু রঞ্জনা খাতুন (৩৮) ওই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের স্ত্রী।

আটক স্বামী ইব্রাহিম  হোসেনকান্দাপাদা খাঁ পাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আহসানুজ্জামান রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে জানান, গৃহবধু রঞ্জনা খাতুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে ইব্রাহিম। এরপর সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে রাখে।

খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করেছি। নিহতের সুরুতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।