সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাসিনার রায় শুনতে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত মুগ্ধের ভাই ও ওসমান হাদি

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায় শুনতে ট্রাইব্যুনালে এসেছেন মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি, জুলাইয়ে আহত যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তারা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, শেখ হাসিনার অন্যায়-অপরাধের বিচার ৫ আগস্টেই হয়ে গেছে। এখন শুধু আদালতের আনুষ্ঠানিক রায় প্রকাশের অপেক্ষা। তবে যে অপরাধ করেছে, তার জন্য যদি তাকে হাজার বারও ফাঁসি দেওয়া হয়, সেটাও কম হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, গুম-খুন-হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবার এবং গত ১৭ বছর ধরে নির্যাতিত মানুষের একটাই প্রত্যাশা-শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকর করা হোক।

এদিকে জুলাইয়ে আহত যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এসে শেখ হাসিনাসহ বাকি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনার রায় শুনতে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত মুগ্ধের ভাই ও ওসমান হাদি

আপডেট টাইম : ১১:৩৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায় শুনতে ট্রাইব্যুনালে এসেছেন মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি, জুলাইয়ে আহত যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তারা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, শেখ হাসিনার অন্যায়-অপরাধের বিচার ৫ আগস্টেই হয়ে গেছে। এখন শুধু আদালতের আনুষ্ঠানিক রায় প্রকাশের অপেক্ষা। তবে যে অপরাধ করেছে, তার জন্য যদি তাকে হাজার বারও ফাঁসি দেওয়া হয়, সেটাও কম হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, গুম-খুন-হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবার এবং গত ১৭ বছর ধরে নির্যাতিত মানুষের একটাই প্রত্যাশা-শেখ হাসিনার ফাঁসি কার্যকর করা হোক।

এদিকে জুলাইয়ে আহত যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এসে শেখ হাসিনাসহ বাকি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।