সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিপিএলে মিরাজের ফের চমক, ২৩ রানে শিকার ৪ উইকেট

উইকেট নেওয়ার পর মিরাজের উল্লাস। ছবি: ক্রিকইনফো

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে ভর করে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) সহজ জয় পেয়েছে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা।

 

 

 

 

চলতি মৌসুমে ৯ ম্যাচের মধ্যে এটি আমাজন ওয়ারিয়র্সের অষ্টম জয়। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ১০০টি জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল দলটি।

 

 

 

 

টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন আমাজন ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মিরাজ। পরপর দুই বলে কোলিন মানরো ও নিকোলাস পুরানকে সাজঘরে ফেরান এই অলরাউন্ডার। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। মোহাম্মদ নবীর বিকল্প হিসেবে দলে যোগ দেওয়া মিরাজের সিপিএলে এটি ছিল মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ; দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৩৬ রান খরচায় ইতোমধ্যে ৭ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন তিনি।

 

 

পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৪৩ রান সংগ্রহ করা নাইট রাইডার্স এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৮ উইকেটে ১২৬ রানের সংগ্রহে থমকে যায়। দলের হয়ে জাস্টিন গ্রিভস ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ এবং মানরো ১৬ বলে ২৬ রান করেন।

 

১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আমাজন ওয়ারিয়র্সের সূচনাটি খুব একটা দ্রুতগতির ছিল না। প্রথম ৭ ওভারের মধ্যেই মাভেন্দ্র দিনদয়াল ও গ্লেন ফিলিপস বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন শাই হোপ। তৃতীয় উইকেটে শিমরন হেটমায়ারের সঙ্গে ৫১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন তিনি। ১৯ বলে ৩টি ছক্কায় ২৮ রান করে আউট হন হেটমায়ার।

 

 

হেটমায়ার এবং এরপর ২ রান করা মিরাজ বিদায় নিলেও কুয়েন্টিন সেম্পসনকে সঙ্গে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন হোপ। ৮ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আমাজন ওয়ারিয়র্স।

 

 

 

এই হারের ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাইট রাইডার্স টুর্নামেন্টে সপ্তম পরাজয়ের স্বাদ পেয়ে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকে আসর শেষ করল।

 

 

 

 

এদিকে ব্যাট হাতে ১০ রান করে শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১৪,৯৯৯ রানের মালিক হন নাইট রাইডার্সের কাইরন পোলার্ড। ছেলেদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১ রান।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিপিএলে মিরাজের ফের চমক, ২৩ রানে শিকার ৪ উইকেট

আপডেট টাইম : ১১:২৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে ভর করে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) সহজ জয় পেয়েছে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা।

 

 

 

 

চলতি মৌসুমে ৯ ম্যাচের মধ্যে এটি আমাজন ওয়ারিয়র্সের অষ্টম জয়। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ১০০টি জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল দলটি।

 

 

 

 

টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন আমাজন ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মিরাজ। পরপর দুই বলে কোলিন মানরো ও নিকোলাস পুরানকে সাজঘরে ফেরান এই অলরাউন্ডার। ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। মোহাম্মদ নবীর বিকল্প হিসেবে দলে যোগ দেওয়া মিরাজের সিপিএলে এটি ছিল মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ; দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৩৬ রান খরচায় ইতোমধ্যে ৭ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন তিনি।

 

 

পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৪৩ রান সংগ্রহ করা নাইট রাইডার্স এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৮ উইকেটে ১২৬ রানের সংগ্রহে থমকে যায়। দলের হয়ে জাস্টিন গ্রিভস ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ এবং মানরো ১৬ বলে ২৬ রান করেন।

 

১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আমাজন ওয়ারিয়র্সের সূচনাটি খুব একটা দ্রুতগতির ছিল না। প্রথম ৭ ওভারের মধ্যেই মাভেন্দ্র দিনদয়াল ও গ্লেন ফিলিপস বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন শাই হোপ। তৃতীয় উইকেটে শিমরন হেটমায়ারের সঙ্গে ৫১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন তিনি। ১৯ বলে ৩টি ছক্কায় ২৮ রান করে আউট হন হেটমায়ার।

 

 

হেটমায়ার এবং এরপর ২ রান করা মিরাজ বিদায় নিলেও কুয়েন্টিন সেম্পসনকে সঙ্গে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন হোপ। ৮ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আমাজন ওয়ারিয়র্স।

 

 

 

এই হারের ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাইট রাইডার্স টুর্নামেন্টে সপ্তম পরাজয়ের স্বাদ পেয়ে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকে আসর শেষ করল।

 

 

 

 

এদিকে ব্যাট হাতে ১০ রান করে শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১৪,৯৯৯ রানের মালিক হন নাইট রাইডার্সের কাইরন পোলার্ড। ছেলেদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন আর মাত্র ১ রান।