রায়হান আলী উল্লাপাড়া ( সিরাজগঞ্জ )প্রতবিদেক। জনতার কণ্ঠ.কম
৯২টি মণ্ডপের অনুদান থেকে ৯২ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সাধারণ সম্পাদক বলছেন সংগঠনের অফিস খরচের জন্য প্রতি বছরই নেওয়া হয়।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এবছর ৯২টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপে সরকার থেকে অনুদান হিসেবে ৫০০ কেজি করে চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গত ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার প্রতিটি মন্দির কমিটির সভাপতি ও সম্পাদককে বরাদ্দকৃত চাউলের ডিও হস্তান্তর করেন।
এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর সরকারি গুদাম থেকে ডিও’র মাধ্যমে চাউল উত্তোলন করে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তা বিক্রি করেন। ৫০০ কেজি চাউলের বাজারমূল্য (৩৮ টাকা কেজি দরে) দাঁড়ায় ১৯ হাজার টাকা। অভিযোগ উঠেছে, এর মধ্যে প্রতিটি মণ্ডপের অনুদানের চাউল বিক্রি থেকে এক হাজার টাকা করে কেটে রাখা হয়েছে। ফলে মোট ৯২টি মণ্ডপ থেকে ৯২ হাজার টাকা কেটে রেখেছে করেছে পূজা উদযাপন পরিষদ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মন্দির কমিটির সভাপতি বলেন,আমরা ডিও হাতে পাওয়ার পর পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের কাছে দেই। তারা চাউল বিক্রি করে আমাদের ১৮ হাজার টাকা দিয়েছে। বাকি এক হাজার টাকা কেটে নিয়েছে। সরকারি অনুদান থেকে টাকা কেটে নেওয়া কতটা যৌক্তিক এটা আমাদের প্রশ্ন।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার সরকার বলেন,
হ্যাঁ, ৯২ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। আমাদের সংগঠনের অফিস ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এবং পূজার সময় নানা খরচ মেটাতে এ টাকা রাখা হয়েছে। প্রতি বছর এভাবেই টাকা নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান ভূইয়া বলেন তারা যথারীতি প্রতিটি মন্দিরের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের হাতে চাউল বরাদ্দের ডিও দিয়েছি। পরবর্তী তারা চাউল বিক্রি করে টাকা কি করেছে এটা জানেন না তিনি।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সরকারি অনুদান থেকে টাকা কেটে নেওয়াকে অনৈতিক ও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন।

রিপোর্টার: 




















