ফলাফল ঘোষণায় অনিয়মের অভিযোগ এনে তা স্থগিত ভোট পূণ:গণনার দাবি জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরার লিখিত অভিযোগে এসব দাবী তোলেন তিনি। অভিযোগের কপি নির্বাচন কমিশনেও পাঠানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে তিনি এম. আকবর আলী উল্লেখ করেন, ১৪৭ ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতিকে আমি ৭শ’রও বেশি ভোটে আমি বিজয়ী হই। তবে উপজেলা কার্যালয়ে থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নেওয়ার পর সেখানে পোস্টাল ব্যালটের ভোট যোগ করা হয়।
আমাদের অনুপস্থিতিতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট গণনা করা হয়েছে। তাছাড়াও অস্বাভাবিক পরিমাণ ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। নির্বাচনে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
এম আকবর আলী বলেন, আমি রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনে যাবো। তারও যদি ন্যায়বিচার না পাই আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিএনপির এম আকবর আলী সাহেব আমাদের কাছে লিখিত একটি কমপ্লিন করেছেন। সেটা আমরা নির্বাচন কমিশন বরাবর ফরোয়ার্ড করে দিয়েছি।
প্রসঙ্গত, সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ১৪৭টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। তিনি ধানের শীষ প্রতিকে পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ ভোট। অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ ভোট। এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ওই আসনে পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঘোষণা হয়। এ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২১ টি। এর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান পান ২ হাজার ১৭৯ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির এম আকবর আলী পান ৮২০ ভোট। সব মিলিয়ে রফিকুল ইসলাম খান ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোটে বিজয়ী হন। বিএনপির এম আকবর আলী পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। ফলে ৫৯৪ ভোটে পরাজিত হন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















