সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

ফল স্থগিত করে ভোট পূণ:গণনার দাবী জানালেন এম আকবর আলী

ফলাফল ঘোষণায় অনিয়মের অভিযোগ এনে তা স্থগিত ভোট পূণ:গণনার দাবি জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী।

 

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরার লিখিত অভিযোগে এসব দাবী তোলেন তিনি। অভিযোগের কপি নির্বাচন কমিশনেও পাঠানো হয়েছে।

 

লিখিত অভিযোগে তিনি এম. আকবর আলী উল্লেখ করেন, ১৪৭ ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতিকে আমি ৭শ’রও বেশি ভোটে আমি বিজয়ী হই। তবে উপজেলা কার্যালয়ে থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নেওয়ার পর সেখানে পোস্টাল ব্যালটের ভোট যোগ করা হয়।

 

আমাদের অনুপস্থিতিতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট গণনা করা হয়েছে। তাছাড়াও অস্বাভাবিক পরিমাণ ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। নির্বাচনে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

 

এম আকবর আলী বলেন, আমি রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনে যাবো। তারও যদি ন্যায়বিচার না পাই আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিএনপির এম আকবর আলী সাহেব আমাদের কাছে লিখিত একটি কমপ্লিন করেছেন। সেটা আমরা নির্বাচন কমিশন বরাবর ফরোয়ার্ড করে দিয়েছি।

 

প্রসঙ্গত, সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ১৪৭টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। তিনি ধানের শীষ প্রতিকে পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ ভোট। অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ ভোট। এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ওই আসনে পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঘোষণা হয়। এ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২১ টি। এর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান পান ২ হাজার ১৭৯ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির এম আকবর আলী পান ৮২০ ভোট। সব মিলিয়ে রফিকুল ইসলাম খান ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোটে বিজয়ী হন। বিএনপির এম আকবর আলী পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। ফলে ৫৯৪ ভোটে পরাজিত হন তিনি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

ফল স্থগিত করে ভোট পূণ:গণনার দাবী জানালেন এম আকবর আলী

আপডেট টাইম : ০৮:২২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফলাফল ঘোষণায় অনিয়মের অভিযোগ এনে তা স্থগিত ভোট পূণ:গণনার দাবি জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী।

 

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরার লিখিত অভিযোগে এসব দাবী তোলেন তিনি। অভিযোগের কপি নির্বাচন কমিশনেও পাঠানো হয়েছে।

 

লিখিত অভিযোগে তিনি এম. আকবর আলী উল্লেখ করেন, ১৪৭ ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতিকে আমি ৭শ’রও বেশি ভোটে আমি বিজয়ী হই। তবে উপজেলা কার্যালয়ে থেকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নেওয়ার পর সেখানে পোস্টাল ব্যালটের ভোট যোগ করা হয়।

 

আমাদের অনুপস্থিতিতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট গণনা করা হয়েছে। তাছাড়াও অস্বাভাবিক পরিমাণ ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। নির্বাচনে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

 

এম আকবর আলী বলেন, আমি রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনে যাবো। তারও যদি ন্যায়বিচার না পাই আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিএনপির এম আকবর আলী সাহেব আমাদের কাছে লিখিত একটি কমপ্লিন করেছেন। সেটা আমরা নির্বাচন কমিশন বরাবর ফরোয়ার্ড করে দিয়েছি।

 

প্রসঙ্গত, সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ১৪৭টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এম আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। তিনি ধানের শীষ প্রতিকে পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ ভোট। অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে রফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ ভোট। এরপর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ওই আসনে পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল ঘোষণা হয়। এ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২১ টি। এর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান পান ২ হাজার ১৭৯ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির এম আকবর আলী পান ৮২০ ভোট। সব মিলিয়ে রফিকুল ইসলাম খান ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোটে বিজয়ী হন। বিএনপির এম আকবর আলী পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। ফলে ৫৯৪ ভোটে পরাজিত হন তিনি।