ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় ইতিমধ্যে জমে উঠেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রার্থী ও কর্মীসমর্থকরা রাতদিন গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বসে নেই প্রার্থীদের স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে আত্মীয়-স্বজনেরাও। কর্মীদের সাথে নিয়ে হাটে-মাঠে বাজারে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারাও।
এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ নজর কেড়েছে সিরাজগঞ্জের দুটি আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর স্ত্রীদের প্রচারণা।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তাঁর বিজয়ের জন্য দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা নিরলস প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদও পাড়ায়-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রচারণায় নারী ভোটারদের মাঝে উৎসাহ বাড়ছে।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের বেশ কয়েক নেত্রী বলেন, রুমানা মাহমুদ নারীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইতে পারছেন রুমানা মাহমুদ। নারী ভোটাররাও স্বতস্ফূর্তভাবে তার কাছে আসতে পেরে উৎসাহিত হচ্ছেন। এতে করে ধানের শীষের পক্ষে নারীদের মাঝে গণজোয়াড় সৃষ্টি হচ্ছে।
স্ত্রী রুমানা মাহমুদের পাশাপাশি ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ছেলে আবেদ হাসান মাহমুদকেও শহরে গনসংযোগ করতে দেখা গেছে।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম আকবর আলী। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে বিজয়ী করতে রাতদিন প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী মোমেনা আলী। প্রতিদিনই শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল নির্বাচনী সভা ও গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন তিনি।
উল্লাপাড়া উপজেলাকে শিক্ষানগরীতে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মোমেনা আলীর প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া মিলছে।
উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির কয়েক নেতা জানান, মোমেনা আলী একজন শিক্ষানুরাগী। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী মিলে উল্লাপাড়ায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে মোমেনা আলীর ভূমিকা স্মরনীয়। এ কারণে মানুষের মাঝে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় নামার ফলে ভোটারদের মাঝে ধানের শীষের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
জেলার ৬টি আসনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগে আমরা শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে টিম গঠন করে দিয়েছি। এছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়নে জেলার একাধিক নেতার সমন্বয়ে টিম গঠন করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ-২ আসনে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একজন হেভিওয়েট প্রার্থী। তাঁর বিজয়ের লক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ নিজেও নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যার ফলে নারী ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এছাড়াও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ছেলে আবেদ হাসান মাহমুদ ও ছোট ভাই সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মঞ্জুর হাসান মাহমুদ খুশিও ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। অপরদিকে এম আকবর আলীর স্ত্রী মোমেনা আলী তাঁর স্বামীর জন্য ভোটের মাঠে ব্যাপকভাবে কাজ করছেন। আশা করছি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জেলার সবকটি আসনে ধানের শীষ বিপুল বিজয় অর্জন করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 




















