সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ইলেকট্রিক ট্রেন ও ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি রাজধানীর যানজট কমাতে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পেরও অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

 

 

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

 

 

 

 

অনুমোদন পাওয়া ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩১ সালে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।

 

এদিকে রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো- মেট্রোরেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রোরেল লাইন-১ এবং মেট্রোরেল লাইন-৫ নর্দান রুট। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ও মেয়াদসংক্রান্ত প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন করে এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, শুরুতে একনেকের মূল এজেন্ডায় শুধু এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটি উপস্থাপনের কথা ছিল। পরে সমন্বিত অগ্রগতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাবও একই সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এই রুটে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

 

 

 

অন্যদিকে ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রকল্পটির রুট হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত।

 

 

 

 

 

এ ছাড়া গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতালপথ। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা।

One thought on “ইলেকট্রিক ট্রেন ও ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

ইলেকট্রিক ট্রেন ও ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

আপডেট টাইম : ০৪:৩২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি রাজধানীর যানজট কমাতে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পেরও অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

 

 

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

 

 

 

 

অনুমোদন পাওয়া ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩১ সালে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।

 

এদিকে রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো- মেট্রোরেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রোরেল লাইন-১ এবং মেট্রোরেল লাইন-৫ নর্দান রুট। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ও মেয়াদসংক্রান্ত প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন করে এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, শুরুতে একনেকের মূল এজেন্ডায় শুধু এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটি উপস্থাপনের কথা ছিল। পরে সমন্বিত অগ্রগতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাবও একই সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এই রুটে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

 

 

 

অন্যদিকে ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রকল্পটির রুট হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত।

 

 

 

 

 

এ ছাড়া গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে পাতালপথ। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা।