সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তদন্তে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়ার অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

 

 

 

‎বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান দুদক সচিব সাইদুর রহমান।

 

 

 

 

‎তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর ১)। সাবেক আইনমন্ত্রী হিসেবে পাবলিক সার্ভেন্ট পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক আচরণ ও অসাধু উপায়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি হয়েছিল।

 

‎দুদকের তদন্তে উঠে আসে, আসামির নামে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ রয়েছে। এ ছাড়া আনিসুল হক ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা ও ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনসহ সর্বমোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।

তদন্তে আরও দেখা যায়, আনিসুল হক নিজ ও বেনামে তার ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, বোনের ছেলে (ভাগ্নে) শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও কথিত কাজিন মোহাম্মদ ইকবাল, এই তিনজনের সহায়তায় সম্পদ অর্জন ও পরিচালনা করেন।

দুদকের দাবি, এই তিনজন আনিসুল হককে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে মোট ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকার সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় তদন্তে তাদেরও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

‎দুদক সূত্রে জানা যায়, ২৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে।

 

 

 

 

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

One thought on “১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

আপডেট টাইম : ০৪:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তদন্তে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়ার অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

 

 

 

‎বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান দুদক সচিব সাইদুর রহমান।

 

 

 

 

‎তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর ১)। সাবেক আইনমন্ত্রী হিসেবে পাবলিক সার্ভেন্ট পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক আচরণ ও অসাধু উপায়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি হয়েছিল।

 

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে দুই উপজেলায় তিন রাতে পাঁচ কৃষকের ২০ গরু চুরি

‎দুদকের তদন্তে উঠে আসে, আসামির নামে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ রয়েছে। এ ছাড়া আনিসুল হক ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা ও ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনসহ সর্বমোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।

তদন্তে আরও দেখা যায়, আনিসুল হক নিজ ও বেনামে তার ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, বোনের ছেলে (ভাগ্নে) শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও কথিত কাজিন মোহাম্মদ ইকবাল, এই তিনজনের সহায়তায় সম্পদ অর্জন ও পরিচালনা করেন।

দুদকের দাবি, এই তিনজন আনিসুল হককে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে মোট ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকার সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় তদন্তে তাদেরও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

‎দুদক সূত্রে জানা যায়, ২৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে।

 

 

 

 

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।