সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ডিভোর্স লেটার পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • 74

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরশহরে স্ত্রীর পাঠানো ডিভোর্স লেটার পেয়ে মজনু পারভেজ নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাড়াশ পৌর উত্তর ওবদাবাদ এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মজনু পারভেজ তাড়াশ পৌরশহরের মৃত আব্দুস সাত্তার আলীর ছেলে। তাড়াশ থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

জানা গেছে, মজনু পারভেজ ২৫ বছর আগে পাশের বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামের রোকসানা খাতুনকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১৬ বছর বয়সের এক ছেলে ও ৬ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে অভাবের সংসারে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। ঝগড়ার জের ধরে ৩ মাস আগে রোকসানা খাতুন ছেলে-মেয়ে রেখে বাবার বাড়িতে চলে যান।

আরও জানা গেছে, অনেকবার পারিবারিকভাবে চেষ্টা করেও রোকসানা খাতুনকে আনতে ব্যর্থ হয় মজনু পারভেজ। সাত দিন আগে রোকসানা খাতুন স্বামী মজনু পারভেজের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠায়। পরিবারের লোকজন মজনু পারভেজকে বিষয়টি জানাননি। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ডাক পিয়ন বাসায় এসে ডিভোর্স লেটারের চিঠি বাড়িতে দিয়ে গেলে ভেঙে পড়েন তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার নিজ ঘরের মধ্যে মজনু পারভেজের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্বজনরা।

 

তাড়াশ থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, মজনু পারভেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

ডিভোর্স লেটার পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট টাইম : ০৪:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌরশহরে স্ত্রীর পাঠানো ডিভোর্স লেটার পেয়ে মজনু পারভেজ নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাড়াশ পৌর উত্তর ওবদাবাদ এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মজনু পারভেজ তাড়াশ পৌরশহরের মৃত আব্দুস সাত্তার আলীর ছেলে। তাড়াশ থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

জানা গেছে, মজনু পারভেজ ২৫ বছর আগে পাশের বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামের রোকসানা খাতুনকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১৬ বছর বয়সের এক ছেলে ও ৬ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে অভাবের সংসারে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। ঝগড়ার জের ধরে ৩ মাস আগে রোকসানা খাতুন ছেলে-মেয়ে রেখে বাবার বাড়িতে চলে যান।

আরও জানা গেছে, অনেকবার পারিবারিকভাবে চেষ্টা করেও রোকসানা খাতুনকে আনতে ব্যর্থ হয় মজনু পারভেজ। সাত দিন আগে রোকসানা খাতুন স্বামী মজনু পারভেজের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠায়। পরিবারের লোকজন মজনু পারভেজকে বিষয়টি জানাননি। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ডাক পিয়ন বাসায় এসে ডিভোর্স লেটারের চিঠি বাড়িতে দিয়ে গেলে ভেঙে পড়েন তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার নিজ ঘরের মধ্যে মজনু পারভেজের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্বজনরা।

 

তাড়াশ থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, মজনু পারভেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।