সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে এলো ৫০০ টন ইলিশ

ইলিশ। পুরোনো ছবি

বাংলাদেশের ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে বড় পরিমাণে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারত। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ রপ্তানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

 

 

 

 

সাধারণত বাংলাদেশ থেকেই ভারতে ইলিশ যায়। তবে এবার বাংলাদেশে ইলিশ উৎপাদন কম হওয়ায় দেশীয় চাহিদা মেটাতে ভারতের দিকে ঝুঁকেছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।

 

 

 

 

ব্যবসায়ীরা জানান, ইলিশের এসব চালান মূলত গুজরাট থেকে সংগ্রহ করে ভারুচ বন্দরের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি কিছু সরবরাহ পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছের বাজার হয়েও গেছে।

 

 

হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এবারই প্রথম ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে। আমরা সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরার মতো মাছ বাংলাদেশে পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু এ বছর সেখানে ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।’

‘গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন রপ্তানির কথা রয়েছে’, বলেন তিনি।

 

 

 

মকসুদ জানান, প্রচুর ডিম থাকার কারণে ভারতের বাজারে গুজরাটের ইলিশের চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম। তবে এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই বাংলাদেশের ক্রেতাদের কাছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কারণ বাংলাদেশে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা রয়েছে।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘গুজরাটের ইলিশে প্রচুর ডিম থাকে, যা বাংলাদেশে বেশ কাঙ্ক্ষিত। এমনকি ডিম আলাদাভাবে বিক্রি করে প্রক্রিয়াজাত করে অন্যান্য দেশে পুনরায় রপ্তানি করা হচ্ছে।’

 

 

 

 

তিনি জানান, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা আমদানি করা কিছু ইলিশ প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশের বাজারেও রপ্তানি করছেন। অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে এই মাছ শুকিয়ে নোনা ইলিশ হিসেবেও বিক্রি করা হচ্ছে।

 

 

 

 

তবে আসন্ন উৎসবের মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

গত বছর উৎসবের মৌসুমের আগে বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে এলো ৫০০ টন ইলিশ

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের ঘাটতি পূরণে ভারত থেকে বড় পরিমাণে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারত। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ রপ্তানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

 

 

 

 

সাধারণত বাংলাদেশ থেকেই ভারতে ইলিশ যায়। তবে এবার বাংলাদেশে ইলিশ উৎপাদন কম হওয়ায় দেশীয় চাহিদা মেটাতে ভারতের দিকে ঝুঁকেছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।

 

 

 

 

ব্যবসায়ীরা জানান, ইলিশের এসব চালান মূলত গুজরাট থেকে সংগ্রহ করে ভারুচ বন্দরের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি কিছু সরবরাহ পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছের বাজার হয়েও গেছে।

 

 

হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এবারই প্রথম ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে। আমরা সাধারণত বোয়াল, রুই, পারশে ও ট্যাংরার মতো মাছ বাংলাদেশে পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু এ বছর সেখানে ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।’

‘গত দুই মাসে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন রপ্তানির কথা রয়েছে’, বলেন তিনি।

 

 

 

মকসুদ জানান, প্রচুর ডিম থাকার কারণে ভারতের বাজারে গুজরাটের ইলিশের চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম। তবে এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই বাংলাদেশের ক্রেতাদের কাছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কারণ বাংলাদেশে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা রয়েছে।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘গুজরাটের ইলিশে প্রচুর ডিম থাকে, যা বাংলাদেশে বেশ কাঙ্ক্ষিত। এমনকি ডিম আলাদাভাবে বিক্রি করে প্রক্রিয়াজাত করে অন্যান্য দেশে পুনরায় রপ্তানি করা হচ্ছে।’

 

 

 

 

তিনি জানান, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা আমদানি করা কিছু ইলিশ প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশের বাজারেও রপ্তানি করছেন। অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে এই মাছ শুকিয়ে নোনা ইলিশ হিসেবেও বিক্রি করা হচ্ছে।

 

 

 

 

তবে আসন্ন উৎসবের মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

গত বছর উৎসবের মৌসুমের আগে বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন