সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নতুন নামে এয়ারটেল, পরিচয় এখন ‘সার্কেল’

ছবি: সংগৃহীত

নাম বদলাতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম মোবাইল অপারেটর ব্র্যান্ড এয়ারটেল। ‘সার্কেল’ নামেই হবে পরবর্তী যাত্রা এমনটাই জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির একীভূতকারী আরেক মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা।

 

 

 

 

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ব্র্যান্ড নাম ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ২২ বছরে তৃতীয় বারের মতো নাম পরিবর্তন হতে যাচ্ছে এই ব্র্যান্ডের।

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে রবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকদের সঙ্গে অপারেটরের সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন আসছে না। এয়ারটেলের সব গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কেলের গ্রাহকে পরিণত হবেন। তাদের বিদ্যমান ০১৬ নম্বর, সেবা, প্যাকেজ ও ব্যালান্স আগের মতোই বহাল ও সচল থাকবে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট, লেনদেন ও গ্রাহকের তথ্যেও কোনো পরিবর্তন হবে না। এগুলো নিরাপদ ও পূর্ণাঙ্গভাবে সচল থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা বলেন, ১৬ বছর ধরে এয়ারটেল বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছে। সার্কেল সেই যাত্রারই পরবর্তী ধাপ। ব্র্যান্ডের নাম বদলালেও আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে। সংযোগের ক্ষেত্রে যখন আমরা নতুন একটি পর্যায়ে প্রবেশ করছি, তখন শুধু আরও বেশি মানুষকে যুক্ত করাই আর মূল বিষয় নয়; বরং সেই সংযোগগুলোকে আরও অর্থবহ করে তোলাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘সার্কেল’এয়ারটেলের সেই যাত্রার পরবর্তী বিবর্তন। এই নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে এয়ারটেলের স্বতন্ত্র অবস্থানকে এগিয়ে নিতে পেরে আমরা গর্বিত।

 

 

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘সার্কেল’-এর ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি আসল সংযোগ, সবসময় সচল। এই প্রতিশ্রুতি তরুণদের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বিনোদন ও গেমিং থেকে শুরু করে কনটেন্ট তৈরি এবং প্রতিদিন তরুণেরা যেসব ডিজিটাল পরিসরে যুক্ত থাকেন, সেসব ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সংযোগ ও সমৃদ্ধ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ব্র্যান্ডটির।

 

 

 

 

উল্লেখ্য, আবুধাবি গ্রুপের মালিকানাধীন ওয়ারিদ টেলিকম ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে লাইসেন্স পায় এবং ২০০৭ সালের ১০ মে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। মাত্র ৭০ দিনে ১০ লাখ গ্রাহক অর্জন করলেও, ২০১০ সালে ভারতের এয়ারটেলের কাছে সিংহভাগ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে এর নাম এয়ারটেল বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে রবির সাথে একীভূত হয় অপারেটরটি। যদিও গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশে এয়ারটেল নামেই চলছিলো এই অপারেটর। তবে এই ঘোষণার মাধ্যমে তৃতীয় বারের মতো নতুন নামে যাত্রা করল এই অপারেটর।

ট্যাগ :

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন নামে এয়ারটেল, পরিচয় এখন ‘সার্কেল’

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

নাম বদলাতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম মোবাইল অপারেটর ব্র্যান্ড এয়ারটেল। ‘সার্কেল’ নামেই হবে পরবর্তী যাত্রা এমনটাই জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির একীভূতকারী আরেক মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা।

 

 

 

 

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ব্র্যান্ড নাম ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ২২ বছরে তৃতীয় বারের মতো নাম পরিবর্তন হতে যাচ্ছে এই ব্র্যান্ডের।

 

 

 

 

অনুষ্ঠানে রবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকদের সঙ্গে অপারেটরের সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন আসছে না। এয়ারটেলের সব গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কেলের গ্রাহকে পরিণত হবেন। তাদের বিদ্যমান ০১৬ নম্বর, সেবা, প্যাকেজ ও ব্যালান্স আগের মতোই বহাল ও সচল থাকবে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট, লেনদেন ও গ্রাহকের তথ্যেও কোনো পরিবর্তন হবে না। এগুলো নিরাপদ ও পূর্ণাঙ্গভাবে সচল থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা বলেন, ১৬ বছর ধরে এয়ারটেল বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছে। সার্কেল সেই যাত্রারই পরবর্তী ধাপ। ব্র্যান্ডের নাম বদলালেও আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে। সংযোগের ক্ষেত্রে যখন আমরা নতুন একটি পর্যায়ে প্রবেশ করছি, তখন শুধু আরও বেশি মানুষকে যুক্ত করাই আর মূল বিষয় নয়; বরং সেই সংযোগগুলোকে আরও অর্থবহ করে তোলাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘সার্কেল’এয়ারটেলের সেই যাত্রার পরবর্তী বিবর্তন। এই নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে এয়ারটেলের স্বতন্ত্র অবস্থানকে এগিয়ে নিতে পেরে আমরা গর্বিত।

 

 

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘সার্কেল’-এর ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি আসল সংযোগ, সবসময় সচল। এই প্রতিশ্রুতি তরুণদের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বিনোদন ও গেমিং থেকে শুরু করে কনটেন্ট তৈরি এবং প্রতিদিন তরুণেরা যেসব ডিজিটাল পরিসরে যুক্ত থাকেন, সেসব ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সংযোগ ও সমৃদ্ধ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ব্র্যান্ডটির।

 

 

 

 

উল্লেখ্য, আবুধাবি গ্রুপের মালিকানাধীন ওয়ারিদ টেলিকম ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে লাইসেন্স পায় এবং ২০০৭ সালের ১০ মে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। মাত্র ৭০ দিনে ১০ লাখ গ্রাহক অর্জন করলেও, ২০১০ সালে ভারতের এয়ারটেলের কাছে সিংহভাগ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে এর নাম এয়ারটেল বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে রবির সাথে একীভূত হয় অপারেটরটি। যদিও গত ১০ বছর ধরে বাংলাদেশে এয়ারটেল নামেই চলছিলো এই অপারেটর। তবে এই ঘোষণার মাধ্যমে তৃতীয় বারের মতো নতুন নামে যাত্রা করল এই অপারেটর।