সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

নেইমারের জোড়া গোল, প্রতিপক্ষের মাঠে জয় পেল সান্তোস

সংগৃহীত ছবি

আবারও মাঠে নেমে পায়ের জাদু দেখালেন নেইমার। গোল না করলেও দুটি গোলে রাখলেন অবদান।

 

 

 

তার জাদুকরী পরিকল্পনায় গাবিগোল, উইলিয়ান আরাঁও এবং লুয়ান পেরেসের গোলে ৩-০ ব্যবধানে হারল ভাস্কো দা গামা। ঘরের মাঠ সাও জানুয়ারিওতে এই লজ্জাজনক হারের ফলে ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের রেলিগেশন জোনেই (অবনমন অঞ্চল) পড়ে রইল ক্লাবটি।
 

ম্যাচের শুরুটা কিন্তু ভাস্কোই দাপটের সাথে করেছিল। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উন্মাদনা আর মাঝমাঠের শক্তিশালী ত্রয়ীর কল্যাণে পেদ্রো ইমানুয়েলের দল বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

 

 

 

 

প্রথম কয়েক মিনিটে তারা সফরকারী সান্তোসকে কোনো পাল্টা আক্রমণের সুযোগই দেয়নি এবং খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে।

 

 

 

 

কিন্তু শীঘ্রই ম্যাচের ছন্দ বদলে যায় ভাস্কোর জন্য এক বড় ধাক্কায়।

 

 

 

 

অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জাইর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার জায়গায় আর্জেন্টাইন ক্লাব রেসিং থেকে আসা সোসার অভিষেক হয়। তবে নতুন এই খেলোয়াড়টি ম্যাচের গতির সাথে মানিয়ে নিতে বেশ সময় নেন। আর সেই সুযোগেই নেইমার এবং গাবিগোল দৌড়ানোর জন্য মাঝমাঠে অনেকটা ফাঁকা জায়গা পেয়ে যান।

 

 

 

 

ম্যাচের এক পর্যায়ে গাবিগোল দুবার গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। একবার গোলরক্ষক লিও জার্দিমকে একা পেয়েও তিনি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট মারেন এবং অন্যবার তার হেডটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। কাবালোরোর একটি জোরালো হেডও গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। অন্যদিকে, ভাস্কোর হয়ে অভিষিক্ত কলিডিও ম্যাচের প্রথম সহজ সুযোগটি নষ্ট করেন। বিরতির পর থিয়াগো মেন্ডেসও সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন।

 

 

 

 

দ্বিতীয় হাফে পিটনের বদলে নামা পুমাও সান্তোসের গোলরক্ষক ব্রাজাওকে পরাস্ত করতে পারলেও বল গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। ঠিক যখন মনে হচ্ছিল ভাস্কো মাঠের দখল ফিরে পাচ্ছে এবং আক্রমণ শানিত করছে, তখনই তাদের ওপর নেমে আসে ‘তুষারশীতল’ আঘাত।

 

 

 

 

রনির একটি চমৎকার ক্রস থেকে রোলহাইজার হেডে বল নামিয়ে দেন এবং গাবিগোল বাম পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষক লিও জার্দিমকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। অন্য সব রাউন্ডের মতোই ভাস্কোর আক্রমণভাগ এবারও গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় স্কোরলাইনে কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি তারা।

 

 

 

 

প্রথম গোল হজমের পর ঘরের মাঠের দলটি খেই হারিয়ে ফেলে এবং সেই সুযোগটির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান এই মহাতারকার ক্রস থেকে বল ক্লিয়ার করতে ভুল করেন লিও জার্দিম, যা আরাঁও-র গায়ে লেগে জালে প্রবেশ করে। এর কিছুক্ষণ পরই নেইমারের একটি শক্তিশালী ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে লুয়ান পেরেস গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন।

 

 

 

 

এখন উভয় দলের দৃষ্টি আগামী বৃহস্পতিবারের কোপা সুদামেরিকানার নকআউট পর্বের দিকে। ভাস্কো প্যারাগুয়েতে অলিম্পিয়ার মুখোমুখি হবে, যাদের বিপক্ষে প্রথম লেগটি গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। অন্যদিকে, সান্তোস ইকুয়েডর যাবে মাকারার বিপক্ষে খেলতে, যেখানে প্রথম লেগে ২-১ গোলে জয়ের সুবাদে তারা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

নেইমারের জোড়া গোল, প্রতিপক্ষের মাঠে জয় পেল সান্তোস

আপডেট টাইম : ১০:৫১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
আবারও মাঠে নেমে পায়ের জাদু দেখালেন নেইমার। গোল না করলেও দুটি গোলে রাখলেন অবদান।

 

 

 

তার জাদুকরী পরিকল্পনায় গাবিগোল, উইলিয়ান আরাঁও এবং লুয়ান পেরেসের গোলে ৩-০ ব্যবধানে হারল ভাস্কো দা গামা। ঘরের মাঠ সাও জানুয়ারিওতে এই লজ্জাজনক হারের ফলে ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের রেলিগেশন জোনেই (অবনমন অঞ্চল) পড়ে রইল ক্লাবটি।
 

ম্যাচের শুরুটা কিন্তু ভাস্কোই দাপটের সাথে করেছিল। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উন্মাদনা আর মাঝমাঠের শক্তিশালী ত্রয়ীর কল্যাণে পেদ্রো ইমানুয়েলের দল বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

 

 

 

 

প্রথম কয়েক মিনিটে তারা সফরকারী সান্তোসকে কোনো পাল্টা আক্রমণের সুযোগই দেয়নি এবং খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে।

 

 

 

 

কিন্তু শীঘ্রই ম্যাচের ছন্দ বদলে যায় ভাস্কোর জন্য এক বড় ধাক্কায়।

 

 

 

 

অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জাইর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার জায়গায় আর্জেন্টাইন ক্লাব রেসিং থেকে আসা সোসার অভিষেক হয়। তবে নতুন এই খেলোয়াড়টি ম্যাচের গতির সাথে মানিয়ে নিতে বেশ সময় নেন। আর সেই সুযোগেই নেইমার এবং গাবিগোল দৌড়ানোর জন্য মাঝমাঠে অনেকটা ফাঁকা জায়গা পেয়ে যান।

 

 

 

 

ম্যাচের এক পর্যায়ে গাবিগোল দুবার গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। একবার গোলরক্ষক লিও জার্দিমকে একা পেয়েও তিনি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট মারেন এবং অন্যবার তার হেডটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। কাবালোরোর একটি জোরালো হেডও গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। অন্যদিকে, ভাস্কোর হয়ে অভিষিক্ত কলিডিও ম্যাচের প্রথম সহজ সুযোগটি নষ্ট করেন। বিরতির পর থিয়াগো মেন্ডেসও সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন।

 

 

 

 

দ্বিতীয় হাফে পিটনের বদলে নামা পুমাও সান্তোসের গোলরক্ষক ব্রাজাওকে পরাস্ত করতে পারলেও বল গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। ঠিক যখন মনে হচ্ছিল ভাস্কো মাঠের দখল ফিরে পাচ্ছে এবং আক্রমণ শানিত করছে, তখনই তাদের ওপর নেমে আসে ‘তুষারশীতল’ আঘাত।

 

 

 

 

রনির একটি চমৎকার ক্রস থেকে রোলহাইজার হেডে বল নামিয়ে দেন এবং গাবিগোল বাম পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষক লিও জার্দিমকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান। অন্য সব রাউন্ডের মতোই ভাস্কোর আক্রমণভাগ এবারও গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় স্কোরলাইনে কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি তারা।

 

 

 

 

প্রথম গোল হজমের পর ঘরের মাঠের দলটি খেই হারিয়ে ফেলে এবং সেই সুযোগটির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান এই মহাতারকার ক্রস থেকে বল ক্লিয়ার করতে ভুল করেন লিও জার্দিম, যা আরাঁও-র গায়ে লেগে জালে প্রবেশ করে। এর কিছুক্ষণ পরই নেইমারের একটি শক্তিশালী ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে লুয়ান পেরেস গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন।

 

 

 

 

এখন উভয় দলের দৃষ্টি আগামী বৃহস্পতিবারের কোপা সুদামেরিকানার নকআউট পর্বের দিকে। ভাস্কো প্যারাগুয়েতে অলিম্পিয়ার মুখোমুখি হবে, যাদের বিপক্ষে প্রথম লেগটি গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। অন্যদিকে, সান্তোস ইকুয়েডর যাবে মাকারার বিপক্ষে খেলতে, যেখানে প্রথম লেগে ২-১ গোলে জয়ের সুবাদে তারা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।