সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

পাঞ্জাবে চার দশকের মধ্যে ভয়াবহ বন্যা, শঙ্কায় পাকিস্তান

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ১২:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • 71

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভারি বর্ষণ আর ভারতীয় বাঁধ থেকে পানি ছাড়ায় চেনাব, রাভি ও সুতলেজ নদীর পানি উপচে প্রায় দেড় হাজার গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বন্যায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি গম, চাল ও তুলার মতো গুরুত্বপূর্ণ ফসলও ডুবে গেছে। এতে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাঞ্জাব সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু চেনাব নদীর পানিতে ৯৯১টি গ্রাম, সুতলেজে ৩৬১টি এবং রাভিতে ৮০টি গ্রাম তলিয়ে গেছে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সামনে আরও বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ইতোমধ্যে শিয়ালকট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রমও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার পর এটিকে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় দুর্যোগগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র : ডন

সূত্র: কালবেলা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

পাঞ্জাবে চার দশকের মধ্যে ভয়াবহ বন্যা, শঙ্কায় পাকিস্তান

আপডেট টাইম : ১২:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কণ্ঠ ডেস্ক:

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভারি বর্ষণ আর ভারতীয় বাঁধ থেকে পানি ছাড়ায় চেনাব, রাভি ও সুতলেজ নদীর পানি উপচে প্রায় দেড় হাজার গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বন্যায় ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি গম, চাল ও তুলার মতো গুরুত্বপূর্ণ ফসলও ডুবে গেছে। এতে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাঞ্জাব সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু চেনাব নদীর পানিতে ৯৯১টি গ্রাম, সুতলেজে ৩৬১টি এবং রাভিতে ৮০টি গ্রাম তলিয়ে গেছে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সামনে আরও বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ইতোমধ্যে শিয়ালকট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রমও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার পর এটিকে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় দুর্যোগগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র : ডন

সূত্র: কালবেলা