সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলি: গ্রেপ্তার আসামিদের ৪ দিনের রিমান্ড

গ্রেপ্তার আসামিরা। ছবি : সংগৃহীত

ফটিকছড়িতে পুলিশের সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির পর একাধিক হত্যা মামলার আসামি মুহাম্মদ মোবারক হোসেন ওরফে কালা মোবারকসহ চারজনের প্রত্যেকের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দুই মামলায় প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

 

জানা গেছে, রিমান্ডে যাওয়া অন্য তিনজন হলেন ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর এলাকার বদিউল আলমের ছেলে মোহাম্মদ রাইহান (৪০), একই এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে মো. ফরিদ (৫০) এবং মৃত শমসু সওদাগরের ছেলে মো. নাছির (৫২)। মোবারক (৩৭) ফটিকছড়ির কাঞ্চনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকপুর এলাকার হাছি চৌধুরীর বাড়ির মো. লোকমানের ছেলে।

 

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোররাতে ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর পল্লানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৯ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি ৭ দশমিক ৬৫ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার ও একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৯ এমএম পিস্তলটি ব্রাজিলের তৈরি এবং ৭ দশমিক ৬৫ এমএম পিস্তলটি ইতালির তৈরি। এ ছাড়া ৯ এমএম পিস্তলের ১৮ রাউন্ড গুলি, ৭ দশমিক ৬৫ এমএম পিস্তলের পাঁচ রাউন্ড গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন, তিনটি পিস্তলের খোসা এবং চারটি শটগানের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোবারক পাহাড়তলী এলাকায় গত ১৩ জুন মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ফটিকছড়ির জামাল ও সাদ্দাম হত্যা, রাউজানের মাসুদ হত্যা এবং নগরের সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলাসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।

 

 

 

 

 

পুলিশের দাবি, মোবারক বড় সাজ্জাদ বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত এবং ডেভিড ইমন ও রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁকে ওই চক্রের প্রধান শুটার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

 

 

 

 

 

পুলিশের কর্মকর্তাদের দাবি, বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারীদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন এবং ইমন ও রায়হান বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।

 

 

 

 

গত ২৯ জুলাই ভোরে নড়াইল-যশোর সড়কের ঝুমঝুম এলাকায় একটি গাড়ি থেকে তিন সহযোগীসহ ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখোমুখি ফাইটাররা, প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি দেখালেন বক্সিং পোজ

পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলি: গ্রেপ্তার আসামিদের ৪ দিনের রিমান্ড

আপডেট টাইম : ০৯:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

ফটিকছড়িতে পুলিশের সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির পর একাধিক হত্যা মামলার আসামি মুহাম্মদ মোবারক হোসেন ওরফে কালা মোবারকসহ চারজনের প্রত্যেকের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দুই মামলায় প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলা আদালতের কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

 

জানা গেছে, রিমান্ডে যাওয়া অন্য তিনজন হলেন ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর এলাকার বদিউল আলমের ছেলে মোহাম্মদ রাইহান (৪০), একই এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে মো. ফরিদ (৫০) এবং মৃত শমসু সওদাগরের ছেলে মো. নাছির (৫২)। মোবারক (৩৭) ফটিকছড়ির কাঞ্চনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকপুর এলাকার হাছি চৌধুরীর বাড়ির মো. লোকমানের ছেলে।

 

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোররাতে ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর পল্লানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৯ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি ৭ দশমিক ৬৫ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার ও একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৯ এমএম পিস্তলটি ব্রাজিলের তৈরি এবং ৭ দশমিক ৬৫ এমএম পিস্তলটি ইতালির তৈরি। এ ছাড়া ৯ এমএম পিস্তলের ১৮ রাউন্ড গুলি, ৭ দশমিক ৬৫ এমএম পিস্তলের পাঁচ রাউন্ড গুলি, তিনটি ম্যাগাজিন, তিনটি পিস্তলের খোসা এবং চারটি শটগানের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোবারক পাহাড়তলী এলাকায় গত ১৩ জুন মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ফটিকছড়ির জামাল ও সাদ্দাম হত্যা, রাউজানের মাসুদ হত্যা এবং নগরের সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলাসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।

 

 

 

 

 

পুলিশের দাবি, মোবারক বড় সাজ্জাদ বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত এবং ডেভিড ইমন ও রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁকে ওই চক্রের প্রধান শুটার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

 

 

 

 

 

পুলিশের কর্মকর্তাদের দাবি, বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারীদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন এবং ইমন ও রায়হান বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।

 

 

 

 

গত ২৯ জুলাই ভোরে নড়াইল-যশোর সড়কের ঝুমঝুম এলাকায় একটি গাড়ি থেকে তিন সহযোগীসহ ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।