সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিলিস্তিনে মসজিদে আগুন

ফিলিস্তিনের দখলকৃত পশ্চিম তীরের দেইর ইস্তিয়া শহরে একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর মসজিদের দেয়ালে ঘৃণাসূচক বার্তা লিখে যায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। বুধবার বসতি স্থাপনকারীদের সাম্প্রতিক সহিংসতার নিন্দা জানান কয়েকজন ইসরায়েলি নেতা। তাদের সমালোচনার পরদিনই এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের একজন প্রতিবেদক। তিনি দেখতে পান, মসজিদের একটি দেয়ালে আগুনের দাগ, ক্ষতিগ্রস্ত কার্পেট এবং কমপক্ষে তিনটি পোড়া কোরআন শরিফ পড়ে আছে।

মসজিদের বাইরের একটি দেয়ালে হিব্রু ভাষায় লেখা ছিল— “আমরা ভয় পাই না”, “আমরা আবার প্রতিশোধ নেব”, “নিন্দা করে যান।” বার্তাগুলোর একটিতে সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড প্রধান মেজর জেনারেল আভি ব্লুথকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও মনে হচ্ছে। তিনি আগের দিন বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছিলেন।

এই ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের একের পর এক হামলার ধারাবাহিকতার সর্বশেষ উদাহরণ। এসব হামলা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এখনো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বাড়তে থাকা সহিংসতা নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি।

ঘটনার সময় ইসরায়েলি সেনারা এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তারা বাধা দেননি। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধের তাৎক্ষণিক জবাব দেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পশ্চিম তীরে সহিংসতা গাজার পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে। এ নিয়েও ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিনে মসজিদে আগুন

আপডেট টাইম : ০৭:১৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের দখলকৃত পশ্চিম তীরের দেইর ইস্তিয়া শহরে একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর মসজিদের দেয়ালে ঘৃণাসূচক বার্তা লিখে যায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। বুধবার বসতি স্থাপনকারীদের সাম্প্রতিক সহিংসতার নিন্দা জানান কয়েকজন ইসরায়েলি নেতা। তাদের সমালোচনার পরদিনই এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের একজন প্রতিবেদক। তিনি দেখতে পান, মসজিদের একটি দেয়ালে আগুনের দাগ, ক্ষতিগ্রস্ত কার্পেট এবং কমপক্ষে তিনটি পোড়া কোরআন শরিফ পড়ে আছে।

মসজিদের বাইরের একটি দেয়ালে হিব্রু ভাষায় লেখা ছিল— “আমরা ভয় পাই না”, “আমরা আবার প্রতিশোধ নেব”, “নিন্দা করে যান।” বার্তাগুলোর একটিতে সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড প্রধান মেজর জেনারেল আভি ব্লুথকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও মনে হচ্ছে। তিনি আগের দিন বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছিলেন।

এই ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের একের পর এক হামলার ধারাবাহিকতার সর্বশেষ উদাহরণ। এসব হামলা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এখনো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বাড়তে থাকা সহিংসতা নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি।

ঘটনার সময় ইসরায়েলি সেনারা এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তারা বাধা দেননি। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধের তাৎক্ষণিক জবাব দেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পশ্চিম তীরে সহিংসতা গাজার পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে। এ নিয়েও ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে।