সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

শুধুমাত্র পুলিশের বাড়িতেই ‍চুরি করা যার নেশা

হাতকড়া। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ সদস্যদের বাড়িতে ধারাবাহিক চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি কেবল খুঁজে খুঁজে পুলিশ সদস্যদের বাড়ি নিশানা কর করতেন। এরপর পেছনেও রয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

 

 

ভারতের মধ্যপ্রদেশের খাণ্ডওয়া জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

অভিযুক্তের দাবি, ১৫ বছর আগের এক ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তিনি শুধুমাত্র পুলিশদের বাড়িকেই টার্গেট করতেন। পুলিশ জানায়, প্রদেশের খাণ্ডওয়া জেলার পুলিশ লাইন্স এলাকায় ২০ জানুয়ারি রাতে কনস্টেবল করণপাল সিং ও সুরেশ খাটের বাড়িতে চুরি হয়। কয়েক লাখ টাকার গয়না ও নগদ অর্থ খোয়া যায়। ঘটনাটির তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়।

 

এ ঘটনায় আলরাজপুর জেলার বাসিন্দা দীপেশ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছ থেকে ৩০ হাজার রুপি নগদ এবং কিছু গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জাবুয়া, ধার এবং আলিরাজপুর জেলাজুড়ে তল্লাশি চালানো হয়। প্রযুক্তিগত নজরদারির ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত বুরহানপুরের দিকে যাচ্ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ তাকে ধরতে গেলে তিনি ছাদ থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এতে তার হাত ও পায়ে চোট লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে খাণ্ডওয়া আদালতে হাজির করা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

 

খাণ্ডওয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহেন্দ্র তারনেকর বলেন, এটি কোতওয়ালি থানার বড় সাফল্য। জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে আরও চুরির ঘটনা এবং পলাতক সহযোগীদের খোঁজ চলছে।

 

 

তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, প্রায় ১৫ বছর আগে আলিরাজপুরে এক পুলিশ সদস্যের হাতে মারধরের শিকার হয়েছিলেন অভিযুক্ত। সেই ঘটনার জের ধরেই তিনি পুলিশ সদস্যদের বাড়িতে চুরি করতেন। খাণ্ডওয়ার স্টেশন হাউস অফিসার প্রভীন আর্য বলেন, অভিযুক্ত চুরির আগে পুলিশ লাইন্সের আশেপাশে ফেরিওয়ালার ছদ্মবেশে ঘোরাফেরা করে রেকি করতেন এবং রাতে চুরি করতেন।

 

 

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় রমেশ ও ভুরালিয়া নামে আরও দুই সন্দেহভাজন সহযোগী এখনও পলাতক রয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

শুধুমাত্র পুলিশের বাড়িতেই ‍চুরি করা যার নেশা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পুলিশ সদস্যদের বাড়িতে ধারাবাহিক চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি কেবল খুঁজে খুঁজে পুলিশ সদস্যদের বাড়ি নিশানা কর করতেন। এরপর পেছনেও রয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

 

 

ভারতের মধ্যপ্রদেশের খাণ্ডওয়া জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

অভিযুক্তের দাবি, ১৫ বছর আগের এক ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তিনি শুধুমাত্র পুলিশদের বাড়িকেই টার্গেট করতেন। পুলিশ জানায়, প্রদেশের খাণ্ডওয়া জেলার পুলিশ লাইন্স এলাকায় ২০ জানুয়ারি রাতে কনস্টেবল করণপাল সিং ও সুরেশ খাটের বাড়িতে চুরি হয়। কয়েক লাখ টাকার গয়না ও নগদ অর্থ খোয়া যায়। ঘটনাটির তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়।

 

এ ঘটনায় আলরাজপুর জেলার বাসিন্দা দীপেশ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছ থেকে ৩০ হাজার রুপি নগদ এবং কিছু গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জাবুয়া, ধার এবং আলিরাজপুর জেলাজুড়ে তল্লাশি চালানো হয়। প্রযুক্তিগত নজরদারির ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত বুরহানপুরের দিকে যাচ্ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ তাকে ধরতে গেলে তিনি ছাদ থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এতে তার হাত ও পায়ে চোট লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে খাণ্ডওয়া আদালতে হাজির করা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

 

খাণ্ডওয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহেন্দ্র তারনেকর বলেন, এটি কোতওয়ালি থানার বড় সাফল্য। জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে আরও চুরির ঘটনা এবং পলাতক সহযোগীদের খোঁজ চলছে।

 

 

তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, প্রায় ১৫ বছর আগে আলিরাজপুরে এক পুলিশ সদস্যের হাতে মারধরের শিকার হয়েছিলেন অভিযুক্ত। সেই ঘটনার জের ধরেই তিনি পুলিশ সদস্যদের বাড়িতে চুরি করতেন। খাণ্ডওয়ার স্টেশন হাউস অফিসার প্রভীন আর্য বলেন, অভিযুক্ত চুরির আগে পুলিশ লাইন্সের আশেপাশে ফেরিওয়ালার ছদ্মবেশে ঘোরাফেরা করে রেকি করতেন এবং রাতে চুরি করতেন।

 

 

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় রমেশ ও ভুরালিয়া নামে আরও দুই সন্দেহভাজন সহযোগী এখনও পলাতক রয়েছে।