সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলা ভাষা বিতর্ক, প্রতিবাদে সরব প্রসেনজিৎ

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮০ জন দেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলাকে বাংলাদেশী ভাষা বলে দিল্লী পুলিশের মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। ভারতের ২২টি স্বীকৃত ভাষার মধ্যে একটি বাংলা। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদাও মিলেছে। তারপরেও কীভাবে দিল্লি পুলিস এই ভাষাকে অসম্মান করল? কীভাবে দাগিয়ে দিল ‘বাংলাদেশি ভাষা’ হিসেবে। নানা মহলে সেই প্রশ্ন উঠছে। এই আবহে গর্জে উঠলেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীরা।

বাংলা ভাষা রক্ষার ডাক দিয়ে টলিউডের সুপারস্টার তথা ইন্ডাস্ট্রির ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন বাংলা ভাষা রক্ষার দাবিতে তিনি বলেন, “বাংলা ভাষা ছিল, আছে, থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে আছি। লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।” বাংলা চলচ্চিত্র জগতে প্রায় চার দশকের পথচলা। যে ভাষায় এতদিন দর্শকের সামনে বিনোদনের রসদ জুগিয়েছেন সেই ভাষা রক্ষার দাবিতেই এবার সরব হলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

বাংলা বললেই বাংলাদেশি তকমা এঁটে দেওয়া প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন বাংলার রকস্টার রূপম ইসলাম। রবিবার এই নিয়ে এক বিস্ফোরক পোস্ট করেন তিনিও। এক্স হ্যন্ডলে তিনি লেখেন। ‘ রূপম লেখেন, ‘এটা কী হচ্ছে? বাংলা ভাষা কি দেশের ২২টা ভাষার একটি নয়? কেন বাংলা বললেই বাংলাদেশি তকমা এঁটে দেওয়া হচ্ছে? এটা অত্যন্ত মূর্খামির পরিচয়। ধিক্কার!’ এবার এই ঘটনার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাংলার গায়ক। অন্যদিকে এই নিয়ে সুর চড়িয়েছেন প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী কবীর সুমন। এদিন ফেসবুকে একটি পোস্টে কবীর সুমন লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সব বিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা আবশ্যিক করা বাঞ্ছনীয় এমনই একটি পোস্ট করেন।

গত ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চে ‘ভাষা সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা। পাশাপাশি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশি ভাষা নয়। বাংলা। জাতীয় সঙ্গীত লেখা এই ভাষাতেই।’ সঙ্গীতশিল্পী সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘আমি অবাক হইনি! যারা এমন কাজ করেছে, তাদের কাছে এই ধরনের আচরণই কাম্য।’ সরব হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায়ও। লিখেছেন, ‘এটা কি একটা সামান্য ভুল, নাকি সচেতনভাবে করা একটি ভুল? মনে রাখবেন, আমি বাংলায় গান গাই…’। সিনেমাটোগ্রাফার মধুরা পালিত লিখেছেন, ‘বাংলাকে বাংলাদেশি ভাষা বলা হচ্ছে! এই ভাষায় দেশের কত মানুষ কথা বলেন, এতটা অসম্মান, অশ্রদ্ধা?’ এর আগে সঙ্গীতশিল্পী রূপম ইসলামও এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন।

85
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা ভাষা বিতর্ক, প্রতিবাদে সরব প্রসেনজিৎ

আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলাকে বাংলাদেশী ভাষা বলে দিল্লী পুলিশের মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। ভারতের ২২টি স্বীকৃত ভাষার মধ্যে একটি বাংলা। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদাও মিলেছে। তারপরেও কীভাবে দিল্লি পুলিস এই ভাষাকে অসম্মান করল? কীভাবে দাগিয়ে দিল ‘বাংলাদেশি ভাষা’ হিসেবে। নানা মহলে সেই প্রশ্ন উঠছে। এই আবহে গর্জে উঠলেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কলাকুশলীরা।

বাংলা ভাষা রক্ষার ডাক দিয়ে টলিউডের সুপারস্টার তথা ইন্ডাস্ট্রির ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন বাংলা ভাষা রক্ষার দাবিতে তিনি বলেন, “বাংলা ভাষা ছিল, আছে, থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে আছি। লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।” বাংলা চলচ্চিত্র জগতে প্রায় চার দশকের পথচলা। যে ভাষায় এতদিন দর্শকের সামনে বিনোদনের রসদ জুগিয়েছেন সেই ভাষা রক্ষার দাবিতেই এবার সরব হলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

বাংলা বললেই বাংলাদেশি তকমা এঁটে দেওয়া প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন বাংলার রকস্টার রূপম ইসলাম। রবিবার এই নিয়ে এক বিস্ফোরক পোস্ট করেন তিনিও। এক্স হ্যন্ডলে তিনি লেখেন। ‘ রূপম লেখেন, ‘এটা কী হচ্ছে? বাংলা ভাষা কি দেশের ২২টা ভাষার একটি নয়? কেন বাংলা বললেই বাংলাদেশি তকমা এঁটে দেওয়া হচ্ছে? এটা অত্যন্ত মূর্খামির পরিচয়। ধিক্কার!’ এবার এই ঘটনার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাংলার গায়ক। অন্যদিকে এই নিয়ে সুর চড়িয়েছেন প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী কবীর সুমন। এদিন ফেসবুকে একটি পোস্টে কবীর সুমন লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের সব বিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা আবশ্যিক করা বাঞ্ছনীয় এমনই একটি পোস্ট করেন।

গত ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চে ‘ভাষা সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা। পাশাপাশি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশি ভাষা নয়। বাংলা। জাতীয় সঙ্গীত লেখা এই ভাষাতেই।’ সঙ্গীতশিল্পী সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘আমি অবাক হইনি! যারা এমন কাজ করেছে, তাদের কাছে এই ধরনের আচরণই কাম্য।’ সরব হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায়ও। লিখেছেন, ‘এটা কি একটা সামান্য ভুল, নাকি সচেতনভাবে করা একটি ভুল? মনে রাখবেন, আমি বাংলায় গান গাই…’। সিনেমাটোগ্রাফার মধুরা পালিত লিখেছেন, ‘বাংলাকে বাংলাদেশি ভাষা বলা হচ্ছে! এই ভাষায় দেশের কত মানুষ কথা বলেন, এতটা অসম্মান, অশ্রদ্ধা?’ এর আগে সঙ্গীতশিল্পী রূপম ইসলামও এই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন।