সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চায়: খামেনি

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে চায়। তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘গোলমালকারী’ বলে আখ্যা দেন।

 

 

ইরানে টানা ১৩ দিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। মুদ্রাস্ফীতি, মুদ্রার মান কমে যাওয়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় মানুষ রাস্তায় নেমেছে। অনেক বিক্ষোভকারী সরকার ও মোল্লাতন্ত্রের পতন চাইছেন, কেউ কেউ রাজতন্ত্র ফেরানোর কথাও বলছেন।

 

 

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এ পর্যন্ত অন্তত ৪৮ থেকে ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। দেশজুড়ে এখনো ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে।

 

খামেনি বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না এবং ‘ধ্বংসাত্মক উপাদান’ কঠোরভাবে দমন করা হবে। নিরাপত্তা বাহিনী ও বিপ্লবী গার্ডও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরান বড় বিপদে আছে। বিক্ষোভকারীদের ক্ষতি করা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দেবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি, যদিও সরাসরি সেনা পাঠানোর কথা বলেননি।

 

এ ঘটনায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি প্রাণহানির নিন্দা জানিয়েছে। জাতিসংঘও উদ্বেগ প্রকাশ করে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চায়: খামেনি

আপডেট টাইম : ১২:২০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে চায়। তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘গোলমালকারী’ বলে আখ্যা দেন।

 

 

ইরানে টানা ১৩ দিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। মুদ্রাস্ফীতি, মুদ্রার মান কমে যাওয়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় মানুষ রাস্তায় নেমেছে। অনেক বিক্ষোভকারী সরকার ও মোল্লাতন্ত্রের পতন চাইছেন, কেউ কেউ রাজতন্ত্র ফেরানোর কথাও বলছেন।

 

 

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এ পর্যন্ত অন্তত ৪৮ থেকে ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। দেশজুড়ে এখনো ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে।

 

খামেনি বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না এবং ‘ধ্বংসাত্মক উপাদান’ কঠোরভাবে দমন করা হবে। নিরাপত্তা বাহিনী ও বিপ্লবী গার্ডও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরান বড় বিপদে আছে। বিক্ষোভকারীদের ক্ষতি করা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দেবে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি, যদিও সরাসরি সেনা পাঠানোর কথা বলেননি।

 

এ ঘটনায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি প্রাণহানির নিন্দা জানিয়েছে। জাতিসংঘও উদ্বেগ প্রকাশ করে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি