সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রায়গঞ্জে সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ, ৬ খুচরা বিক্রেতার বরাদ্দ বন্ধ

সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম।

 

 

 

 

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধুবিল ইউনিয়নের চারজন খুচরা সার বিক্রেতা আফসার আলী তালুকদার, মমতাজ উদ্দিন, বানসা রাম ও জাহিদুল ইসলামের সার বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে।

 

 

 

 

এ ছাড়া ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা হাবিবুর রহমানের অধীনে থাকা মো. আব্দুল মমিন এবং ধানগড়া ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা জাফর ইকবাল খান রিপনের অধীনে থাকা সুমন আহমেদের সার বরাদ্দও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির নজরে আসে। পরে কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট ছয়জনের সার বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ধরন বা কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

 

 

 

 

রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের পর উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, বরাদ্দ বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের আওতাধীন কৃষকদের সার পেতে কোনো সমস্যা হবে না। তারা নিজ নিজ ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল ডিলারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

 

 

 

কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রিতে অনিয়ম হলে এর সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ কৃষকদের। বিশেষ করে চাষাবাদের মৌসুমে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার না পেলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সার বিতরণ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

 

 

 

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সার বিতরণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রায়গঞ্জে সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ, ৬ খুচরা বিক্রেতার বরাদ্দ বন্ধ

আপডেট টাইম : ০৭:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

 

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম।

 

 

 

 

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধুবিল ইউনিয়নের চারজন খুচরা সার বিক্রেতা আফসার আলী তালুকদার, মমতাজ উদ্দিন, বানসা রাম ও জাহিদুল ইসলামের সার বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে।

 

 

 

 

এ ছাড়া ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা হাবিবুর রহমানের অধীনে থাকা মো. আব্দুল মমিন এবং ধানগড়া ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা জাফর ইকবাল খান রিপনের অধীনে থাকা সুমন আহমেদের সার বরাদ্দও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির নজরে আসে। পরে কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট ছয়জনের সার বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ধরন বা কী ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

 

 

 

 

রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের পর উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, বরাদ্দ বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের আওতাধীন কৃষকদের সার পেতে কোনো সমস্যা হবে না। তারা নিজ নিজ ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল ডিলারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

 

 

 

কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রিতে অনিয়ম হলে এর সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ কৃষকদের। বিশেষ করে চাষাবাদের মৌসুমে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার না পেলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সার বিতরণ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

 

 

 

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সার বিতরণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।