সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শীতের আগমনে বাজারে এসেছে নতুন খেঁজুর গুড়

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ অঞ্চলের প্রতিটি হাটে-বাজারে চলে এসেছে এ বছরের খেঁজুর ও আখের নতুন গুড়। প্রতিবছর এইসময়ে রাজশাহী,চাঁপাই, নাটোর,বনপাড়া এলাকায় শুরু হয় খেঁজুরের রস আহরণ ও গুড় তৈরির মৌসুম। রস সংগ্রহের জন্য গাছ প্রস্তুত করে পাতা হয় মাটির হাঁড়ি। সারা রাত ধরে ফোঁটা ফোঁটা রস জমে হাঁড়িতে। সকালে সেই রস নিয়ে শুরু হয় গুড় তৈরির ব্যস্ততা। বড় চুলায় ফুটন্ত রসের ঘ্রাণে তখন মিষ্টি হয়ে ওঠে ঐ এলাকার পুরো গ্রাম।

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির মৌসুম। তাড়াশ বাজারের গুড় ব্যবসায়ী রহমান,জহুরুল ইসলাম তালুকদার জনতার কন্ঠ প্রতিনিধিকে জানান,আমরা সাধারণতো সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও সোমবার হাটবারের আগেরদিন সন্ধ্যায় রাজশাহীর ঝলমলিয়া এবং নাটোরের বনপাড়া পাইকারি বাজার থেকে মিনি ট্রাকে এসব গুড় কিনে এনে পড়সা সাজিয়ে বিক্রি করি।

এবছরের নতুন খেঁজুর ও আখের গুড় বাজারে আসাতে মানুষ কেনা শুরু করেছে। তবে বর্তমান চাহিদা একটু কম থাকায় আমরা কমদামে গুড় কিনতে পারছি। শীত বাড়ার সাথে সাথে গুড়ের বাজারের চাহিদা বাড়তে থাকে, তখন দামও বাড়তে থাকে। বর্তমান খেঁজুর গুড় ২শ থেকে ২৫০টাকা,আখের গুড় ১শ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করছি।

গুড় কিনতে আসা হাফিজা সুলতানা জানান, বাজারে নতুন গুড় এসেছে তাই কিনতে আসলাম। নতুন গুড় দিয়ে সিজনাল ফল জলপাই এর আচার তৈরি করব। যা সংরক্ষণ করে সারাবছর খেতে পারব এবং বাড়িতে মেহমান আসলে তাদেরকে নতুন গুড় দিয়ে পিঠা ও পায়েস তৈরি করে আপ্যায়ন করব।

90
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শীতের আগমনে বাজারে এসেছে নতুন খেঁজুর গুড়

আপডেট টাইম : ১১:২০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ অঞ্চলের প্রতিটি হাটে-বাজারে চলে এসেছে এ বছরের খেঁজুর ও আখের নতুন গুড়। প্রতিবছর এইসময়ে রাজশাহী,চাঁপাই, নাটোর,বনপাড়া এলাকায় শুরু হয় খেঁজুরের রস আহরণ ও গুড় তৈরির মৌসুম। রস সংগ্রহের জন্য গাছ প্রস্তুত করে পাতা হয় মাটির হাঁড়ি। সারা রাত ধরে ফোঁটা ফোঁটা রস জমে হাঁড়িতে। সকালে সেই রস নিয়ে শুরু হয় গুড় তৈরির ব্যস্ততা। বড় চুলায় ফুটন্ত রসের ঘ্রাণে তখন মিষ্টি হয়ে ওঠে ঐ এলাকার পুরো গ্রাম।

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির মৌসুম। তাড়াশ বাজারের গুড় ব্যবসায়ী রহমান,জহুরুল ইসলাম তালুকদার জনতার কন্ঠ প্রতিনিধিকে জানান,আমরা সাধারণতো সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও সোমবার হাটবারের আগেরদিন সন্ধ্যায় রাজশাহীর ঝলমলিয়া এবং নাটোরের বনপাড়া পাইকারি বাজার থেকে মিনি ট্রাকে এসব গুড় কিনে এনে পড়সা সাজিয়ে বিক্রি করি।

এবছরের নতুন খেঁজুর ও আখের গুড় বাজারে আসাতে মানুষ কেনা শুরু করেছে। তবে বর্তমান চাহিদা একটু কম থাকায় আমরা কমদামে গুড় কিনতে পারছি। শীত বাড়ার সাথে সাথে গুড়ের বাজারের চাহিদা বাড়তে থাকে, তখন দামও বাড়তে থাকে। বর্তমান খেঁজুর গুড় ২শ থেকে ২৫০টাকা,আখের গুড় ১শ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করছি।

গুড় কিনতে আসা হাফিজা সুলতানা জানান, বাজারে নতুন গুড় এসেছে তাই কিনতে আসলাম। নতুন গুড় দিয়ে সিজনাল ফল জলপাই এর আচার তৈরি করব। যা সংরক্ষণ করে সারাবছর খেতে পারব এবং বাড়িতে মেহমান আসলে তাদেরকে নতুন গুড় দিয়ে পিঠা ও পায়েস তৈরি করে আপ্যায়ন করব।