সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৈয়দপুরে টাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ৪, তিনজনের কারাদণ্ড

নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তাদের মধ্যে তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

 

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

 

 

 

ডিএনসি নীলফামারী সূত্রে জানা গেছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক সেবন ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংরক্ষণের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।

 

 

 

 

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত গোলাহাট ১ নম্বর ক্যাম্প এলাকার মো. সাজ্জাদ আলী (২৯) ও পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মো. সাক্কু (৫৮)-কে ছয় মাস করে এবং একই এলাকার মো. আজমল হোসেন (৩০)-কে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও করা হয়।

 

 

 

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সৈয়দপুরের গোলাহাট ১ নম্বর ক্যাম্প এলাকার মৃত আজমত আলীর ছেলে মো. সাজ্জাদ আলী (২৯), পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মো. সাক্কু (৫৮) এবং একই এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো. আজমল হোসেন (৩০)।

 

 

 

 

অভিযানে ডিএনসি নীলফামারীর উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকার প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন।

 

 

 

 

এদিকে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকারের নেতৃত্বে ডিএনসির আরেকটি দল সৈয়দপুরের পুরাতন বাবুপাড়া পানির ট্যাংক মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় হাওয়ালদারপাড়া এলাকার মো. আসাদুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা রিংকু (১৯)কে আটক করা হয়।

 

 

 

 

ডিএনসি সূত্রের দাবি, রিংকুর কাছ থেকে ১০০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকার বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা করেন।

 

 

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দপুরে টাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার ৪, তিনজনের কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৯:১১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তাদের মধ্যে তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

 

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

 

 

 

ডিএনসি নীলফামারী সূত্রে জানা গেছে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক সেবন ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংরক্ষণের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।

 

 

 

 

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত গোলাহাট ১ নম্বর ক্যাম্প এলাকার মো. সাজ্জাদ আলী (২৯) ও পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মো. সাক্কু (৫৮)-কে ছয় মাস করে এবং একই এলাকার মো. আজমল হোসেন (৩০)-কে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও করা হয়।

 

 

 

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সৈয়দপুরের গোলাহাট ১ নম্বর ক্যাম্প এলাকার মৃত আজমত আলীর ছেলে মো. সাজ্জাদ আলী (২৯), পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মো. সাক্কু (৫৮) এবং একই এলাকার মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো. আজমল হোসেন (৩০)।

 

 

 

 

অভিযানে ডিএনসি নীলফামারীর উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকার প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন।

 

 

 

 

এদিকে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকারের নেতৃত্বে ডিএনসির আরেকটি দল সৈয়দপুরের পুরাতন বাবুপাড়া পানির ট্যাংক মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় হাওয়ালদারপাড়া এলাকার মো. আসাদুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা রিংকু (১৯)কে আটক করা হয়।

 

 

 

 

ডিএনসি সূত্রের দাবি, রিংকুর কাছ থেকে ১০০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উপপরিদর্শক মো. সাকিব সরকার বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা করেন।

 

 

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।