সিরাজগঞ্জ , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আমুসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন Logo রোগীকে বাঁচাতে নিজেই রক্তদাতা হলেন চিকিৎসক Logo মণিপুরে জাতিগত সংঘাতের জেরে প্রাণ গেল পাঁচজনের Logo কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানা যাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস Logo আশুলিয়ায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আগুন দেওয়া হলো কাভার্ডভ্যানে Logo তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে রহস্য বাড়ছে, মিলছে নতুন তথ্য Logo যুদ্ধবিরতি শেষ, রাশিয়া-ইউক্রেনের সতর্কবার্তা অ্যাপে সাইবার হামলা Logo ১৭৪ ভবনের নকশা অনুমোদনে সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা Logo ১৭ শিক্ষকের প্রতিষ্ঠানে ১০ শিক্ষার্থী,পাস করেননি কেউ Logo জামায়াত রাজপথ উত্তপ্ত করছে, আগুন দিচ্ছে আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন

৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগে প্রত্যাহার ৩ পুলিশ সদস্য

ফয়েজ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ তিন সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ইয়াবা উদ্ধার করে থানায় জমা না দিয়ে আত্মসাৎ, ট্রাকচালককে জিম্মি এবং আলামত নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্ত ফয়েজের বিভিন্ন ছবি।

 

 

 

 

অভিযুক্ত ফয়েজ আহমেদের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ইয়াকুব গাজী। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

 

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. গাজী মহসীনের নামও উঠে এসেছে।

 

মিনি ট্রাকের চালক নাছিরের অভিযোগ, পুলিশ সদস্যরা তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করেন। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের কথিত দুই সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসনের ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা সরিয়ে নেওয়া হয়।

 

 

চালকের দাবি, ঘটনার আলামত নষ্ট করতে ট্রাকে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। একই সঙ্গে ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয়, যাতে ঘটনার কোনো ভিডিও ফুটেজ পাওয়া না যায়।

 

 

 

পুলিশ সূত্র জানায়, ইয়াবা উদ্ধারের পর তা থানায় জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ওই তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ।

 

 

 

 

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যের কর্মকাণ্ডে কিছু অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে। তাদের আগের ও পরের কর্মকাণ্ড নিয়েও কিছু অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।’

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমুসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন

৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগে প্রত্যাহার ৩ পুলিশ সদস্য

আপডেট টাইম : ১১:৪৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ তিন সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ইয়াবা উদ্ধার করে থানায় জমা না দিয়ে আত্মসাৎ, ট্রাকচালককে জিম্মি এবং আলামত নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্ত ফয়েজের বিভিন্ন ছবি।

 

 

 

 

অভিযুক্ত ফয়েজ আহমেদের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ইয়াকুব গাজী। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

 

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. গাজী মহসীনের নামও উঠে এসেছে।

 

মিনি ট্রাকের চালক নাছিরের অভিযোগ, পুলিশ সদস্যরা তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করেন। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের কথিত দুই সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসনের ভেতর থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা সরিয়ে নেওয়া হয়।

 

 

চালকের দাবি, ঘটনার আলামত নষ্ট করতে ট্রাকে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। একই সঙ্গে ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয়, যাতে ঘটনার কোনো ভিডিও ফুটেজ পাওয়া না যায়।

 

 

 

পুলিশ সূত্র জানায়, ইয়াবা উদ্ধারের পর তা থানায় জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ওই তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ।

 

 

 

 

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যের কর্মকাণ্ডে কিছু অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে। তাদের আগের ও পরের কর্মকাণ্ড নিয়েও কিছু অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।’

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ