সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

খুলনায় হ্যান্ডসেট ফোন বিক্রি বন্ধ, সিন্ডিকেট রুখতে ঐক্যবদ্ধ ব্যবসায়ীরা

খুলনা: মোবাইল হ্যান্ডসেটের বাজারে সিন্ডিকেট গঠনের চেষ্টা রুখে দিতে খুলনায় মোবাইল ফোনের সবকটি মার্কেট বন্ধ করে দিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে দোকান বন্ধ রেখে মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র শিববাড়ির মোড়ে খুলনা মহানগর মোবাইল ফোন ও অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন করেন তারা।

 

খুলনা মহানগর মোবাইল ফোন অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কায়েসুল আজাদ শাকিলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম পল্টুর পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আমিনুল ইসলাম রনি, খোরশেদ আলম, মাকসুদ রানা মুরাদ, মো. নুর ইসলাম সরদার, আজিজুল আমিন, ইমরান হাসান, মো. বেলাল হোসেন, নিহাল আহম্মদ হিরা, মোস্তফা কামাল, শাহনাজ আলী জনি প্রমুখ।

দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানিতে ৫৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ ও ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম চালুর উদ্যোগকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ‘বিপর্যয় ডেকে আনা সিদ্ধান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, এই নীতি কার্যকর হলে দেশের কোটি মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে পড়বে, দাম বৃদ্ধি পাবে লাগামহীনভাবে এবং পুরো মোবাইল খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।

 

মানববন্ধনে তারা বলেন, দেশের ৬০-৭০ শতাংশ ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে মাত্র ৩০ শতাংশ প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তৈরি করতে চাইছে একটি চক্র।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, দেশের মোবাইল বাজার বর্তমানে মাত্র ৮-৯ জন লাইসেন্সধারীর হাতে কেন্দ্রীভূত। ২০ কোটি মানুষের দেশে মোবাইল ব্যবসার লাইসেন্স এত অল্পসংখ্যক ব্যক্তির হাতে থাকা অযৌক্তিক। বাজারের ভারসাম্য ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে লাইসেন্স সংখ্যা অন্তত পাঁচ হাজারে উন্নীত করতে হবে।

 

মাবনবন্ধনে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বলেন, সিন্ডিকেট মানি না, মানব না, কিছু প্রভাবশালী মুনাফাখোর গোষ্ঠী এনইআইআর সিস্টেমকে অপব্যবহার করে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য (মনোপলি) গড়ে তুলতে চায় যার ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হারাবে ব্যবসা, আর সাধারণ মানুষকে বেশি দামে ফোন কিনতে বাধ্য হতে হবে! ভোক্তাদের ডোগান্তি কেন? জবাব চাই, দিতে হবে!

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

খুলনায় হ্যান্ডসেট ফোন বিক্রি বন্ধ, সিন্ডিকেট রুখতে ঐক্যবদ্ধ ব্যবসায়ীরা

আপডেট টাইম : ০১:১৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
খুলনা: মোবাইল হ্যান্ডসেটের বাজারে সিন্ডিকেট গঠনের চেষ্টা রুখে দিতে খুলনায় মোবাইল ফোনের সবকটি মার্কেট বন্ধ করে দিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে দোকান বন্ধ রেখে মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র শিববাড়ির মোড়ে খুলনা মহানগর মোবাইল ফোন ও অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন করেন তারা।

 

খুলনা মহানগর মোবাইল ফোন অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কায়েসুল আজাদ শাকিলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম পল্টুর পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আমিনুল ইসলাম রনি, খোরশেদ আলম, মাকসুদ রানা মুরাদ, মো. নুর ইসলাম সরদার, আজিজুল আমিন, ইমরান হাসান, মো. বেলাল হোসেন, নিহাল আহম্মদ হিরা, মোস্তফা কামাল, শাহনাজ আলী জনি প্রমুখ।

দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানিতে ৫৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ ও ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম চালুর উদ্যোগকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ‘বিপর্যয় ডেকে আনা সিদ্ধান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, এই নীতি কার্যকর হলে দেশের কোটি মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে পড়বে, দাম বৃদ্ধি পাবে লাগামহীনভাবে এবং পুরো মোবাইল খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।

 

মানববন্ধনে তারা বলেন, দেশের ৬০-৭০ শতাংশ ব্যবসায়ীকে বাদ দিয়ে মাত্র ৩০ শতাংশ প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তৈরি করতে চাইছে একটি চক্র।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, দেশের মোবাইল বাজার বর্তমানে মাত্র ৮-৯ জন লাইসেন্সধারীর হাতে কেন্দ্রীভূত। ২০ কোটি মানুষের দেশে মোবাইল ব্যবসার লাইসেন্স এত অল্পসংখ্যক ব্যক্তির হাতে থাকা অযৌক্তিক। বাজারের ভারসাম্য ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে লাইসেন্স সংখ্যা অন্তত পাঁচ হাজারে উন্নীত করতে হবে।

 

মাবনবন্ধনে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বলেন, সিন্ডিকেট মানি না, মানব না, কিছু প্রভাবশালী মুনাফাখোর গোষ্ঠী এনইআইআর সিস্টেমকে অপব্যবহার করে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য (মনোপলি) গড়ে তুলতে চায় যার ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হারাবে ব্যবসা, আর সাধারণ মানুষকে বেশি দামে ফোন কিনতে বাধ্য হতে হবে! ভোক্তাদের ডোগান্তি কেন? জবাব চাই, দিতে হবে!