সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

শ্রীলঙ্কায় ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, নিহত ৪০

ছবি : সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কায় টানা ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৪০ জন ছাড়িয়েছে। বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, পাশাপাশি বন্ধ করা হয়েছে বেশ কিছু সড়ক। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।

 

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রদেশের পাহাড়ি চা–বাগান অঞ্চল বাদুল্লা ও নুয়ারা এলিয়াতে। রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের এ এলাকায় বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই।

 

এ ছাড়া ২১ জন নিখোঁজ এবং ১০ জন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রটি।

গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সপ্তাহান্তের আরও ভারি বর্ষণে ভয়াবহ রূপ নেয়। ঘরবাড়ি, আবাদি জমি ও সড়ক প্লাবিত হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অনেক নদী ও জলাধার উপচে পড়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তপ্রদেশ সড়ক বন্ধ করে দিতে হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলে রেলপথে ধস নামায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, রেললাইনের ওপর জমে থাকা পাথর, কাদা ও গাছ অপসারণে ব্যস্ত কর্মীরা। কিছু এলাকায় বন্যার পানি রেললাইন ডুবিয়ে দিয়েছে।

টেলিভিশনে আরও দেখা যায়, নৌবাহিনীর বিশেষ যানবাহনে করে মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে এবং পূর্বাঞ্চলীয় আম্পারা শহরের কাছে বন্যার তোড়ে একটি গাড়ি ভেসে যাচ্ছে। কলম্বো থেকে আম্পারার দূরত্ব প্রায় ৪১০ কিলোমিটার।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, দুর্যোগে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫,০০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

শ্রীলঙ্কায় ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, নিহত ৪০

আপডেট টাইম : ০৯:০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

শ্রীলঙ্কায় টানা ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৪০ জন ছাড়িয়েছে। বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, পাশাপাশি বন্ধ করা হয়েছে বেশ কিছু সড়ক। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।

 

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রদেশের পাহাড়ি চা–বাগান অঞ্চল বাদুল্লা ও নুয়ারা এলিয়াতে। রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের এ এলাকায় বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই।

 

এ ছাড়া ২১ জন নিখোঁজ এবং ১০ জন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রটি।

গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সপ্তাহান্তের আরও ভারি বর্ষণে ভয়াবহ রূপ নেয়। ঘরবাড়ি, আবাদি জমি ও সড়ক প্লাবিত হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অনেক নদী ও জলাধার উপচে পড়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তপ্রদেশ সড়ক বন্ধ করে দিতে হয়।

পাহাড়ি অঞ্চলে রেলপথে ধস নামায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। স্থানীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, রেললাইনের ওপর জমে থাকা পাথর, কাদা ও গাছ অপসারণে ব্যস্ত কর্মীরা। কিছু এলাকায় বন্যার পানি রেললাইন ডুবিয়ে দিয়েছে।

টেলিভিশনে আরও দেখা যায়, নৌবাহিনীর বিশেষ যানবাহনে করে মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে এবং পূর্বাঞ্চলীয় আম্পারা শহরের কাছে বন্যার তোড়ে একটি গাড়ি ভেসে যাচ্ছে। কলম্বো থেকে আম্পারার দূরত্ব প্রায় ৪১০ কিলোমিটার।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, দুর্যোগে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫,০০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।