সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

গৃহবধূ লাবনী হত্যার রহস্য উন্মোচন

গ্রেপ্তার মিলন হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানাধীন কাটার মহল গ্রামের চাঞ্চল্যকর লাবনী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রেমিক মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে রোববার (৩০ ডিসেম্বর) সলঙ্গা থানা আমলি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন আসামি মিলন। গ্রেপ্তার মিলন হোসেন বড় গোজা গ্রামের বাসিন্দা। নিহত লাবনী ধুবিল কাটার মহলের আব্দুল কাইয়ুম রিগ্যানের স্ত্রী।

 

আসামির জবানবন্দি, পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লাবনীর সঙ্গে মিলনের অনেক আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে ৮ বছর আগে লাবনীর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও মিলনের সঙ্গে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন লাবনী।

গত ২৯ নভেম্বর বিকেলে স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে মিলনকে ফোন করে ডেকে আনে লাবনী। পরে সেখান থেকে মিলন বাড়ি ফিরতে চাইলে লাবনী বাধা দেয়। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত চলা ঝগড়ার এক পর্যায়ে মিলন লাবনীর গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়। এরপর মিলন চলে যান। খবর পেয়ে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় লাবনীর বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

ওসি হুমায়ূন কবির বলেন, শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোররাতে নিজ বাড়ি থেকে লাবনীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের পর ওইদিনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন তিনি।

 

 

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূ লাবনী হত্যার রহস্য উন্মোচন

আপডেট টাইম : ০৬:০২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানাধীন কাটার মহল গ্রামের চাঞ্চল্যকর লাবনী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রেমিক মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সলঙ্গা থানার ওসি হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে রোববার (৩০ ডিসেম্বর) সলঙ্গা থানা আমলি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন আসামি মিলন। গ্রেপ্তার মিলন হোসেন বড় গোজা গ্রামের বাসিন্দা। নিহত লাবনী ধুবিল কাটার মহলের আব্দুল কাইয়ুম রিগ্যানের স্ত্রী।

 

আসামির জবানবন্দি, পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লাবনীর সঙ্গে মিলনের অনেক আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে ৮ বছর আগে লাবনীর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও মিলনের সঙ্গে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন লাবনী।

গত ২৯ নভেম্বর বিকেলে স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে মিলনকে ফোন করে ডেকে আনে লাবনী। পরে সেখান থেকে মিলন বাড়ি ফিরতে চাইলে লাবনী বাধা দেয়। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত চলা ঝগড়ার এক পর্যায়ে মিলন লাবনীর গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়। এরপর মিলন চলে যান। খবর পেয়ে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় লাবনীর বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

ওসি হুমায়ূন কবির বলেন, শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোররাতে নিজ বাড়ি থেকে লাবনীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের পর ওইদিনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন তিনি।