বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনটিকে স্মরণীয় করতে তাঁকে স্বাগত জানাতে সিরাজগঞ্জের প্রায় ২০-২৫ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাচ্ছেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রাখতে যাওয়া প্রিয় নেতাকে দেখতে ট্রেন, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে দলে দলে ঢাকায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। গত তিনদিন ধরেই জেলা সদরসহ ৯টি উপজেলার নেতাকর্মীরা দলে দলে ঢাকার পথে ছুটছেন।
এদিকে প্রিয় নেতা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তণের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যাতে সুশৃংখলভাবে অংশ নিতে পারেন সেই লক্ষ্যে দফায় দফায় প্রস্তুতি সভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চুর নেতৃত্বে দলের কর্মীদের যাতায়াতের জন্য ট্রেন ও বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, ১৭ বছর পর প্রিয় নেতার আগমনে আগামী ২৪ ডিসেম্বর (বুধবার) রাত ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের পৌরসভার মালশাপাড়া কবরস্থানের সামনে ৬০টি বাস প্রস্তুত থাকবে। এসব বাস রাত ১১টার মধ্যেই নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। সিরাজগঞ্জের ১১টি থানা থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ প্রায় ২৫ হাজার লোক তাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে বরণ করে নেওয়ার জন্য ঢাকায় যাবে। এছাড়াও ৯টি উপজেলার বাসগুলো পৌরসভা ও ৮৩টি ইউনিয়নের নিজ নিজ এলাকা থেকে সুবিধাজনক সময়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাসগুলো যাত্রা করবেন।
জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ বলেন, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে ২ হাজার ৫০০ জন যাবে। ১৪০টি বাসের প্রতিটিতে ৭০ জন করে যাত্রা করবে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে ন্যূনতম ১০০টি মাইক্রোবাসে আরও ১ হাজার জন এবং আলাদাভাবে আরও ৮ থেকে ৯ হাজার বিএনপি নেতাকর্মী সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে সেদিন ঢাকায় যাবে। সব মিলিয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী যাবে, তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, দীর্ঘদিন দেশের বাহিরে ছিলেন প্রিয় নেতা তারেক রহমান। নেতাকে একনজর দেখার জন্য ইতোমধ্যে জেলার নেতাকর্মীরা দলে দলে ঢাকায় যাত্রা শুরু করেছেন। প্রতিটি নেতাকর্মীর মধ্যেই ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা ও উপজেলা থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে ঢাকায় যাব। এর বাইরে থেকেও অনেক নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাবেন। সকল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আমি বার্তা দিয়েছি, কোনো নেতাকর্মী মাস্ক বা হেলমেট পরতে পারবেন না। এছাড়াও বাসে ওঠার সময় কিংবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পাশের মানুষটি কে, সেটি দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা নিশ্চিত করবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 




















