সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

” ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবেই -ইনশাআল্লাহ “

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৫:০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৩৭ জন দেখেছেন

হারুন অর রশিদ খান হাসান

(মন্তব্য প্রতিবেদন) 

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে বানিজ্য বিভাগে আমার শিক্ষাকাল ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩ সন পর্যন্ত। কুখ্যাত মজিদ খানের শিক্ষানীতি বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনসহ ১৯৮৩ সন থেকে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন সহ ১৯৯৬ সনের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬ আসন পেয়ে জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের সমর্থন নিয়ে জোটগত সরকার গঠন করলে ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজসহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরদখলের মতো দখল করে নেওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ১৩ বছর যুবদলের নেতৃত্বে থেকেই ছাত্রদলের সাথে কলেজের সকল মিছিল মিটিংয়ে ও সাংগঠনিক- সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত ছিলাম,তখন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাকে ছাত্রদলেরই একজনই মনে করতো।

আগেই উল্লেখ করেছি,১৯৯৬ সনে সংখ্যাগরিষ্ঠ না পোয়েও বিএনপির এককভাবে বিজয়ী ১১৬ আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগ ১৪৬ আসনে জিতে জোটগত সমর্থন সরকার গঠন করে।
নির্বাচনের আগে জেলা যুবদলের সভাপতি এরশাদুর রহমান নীরু,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজুমুল হাসান তালুকদার রানা, ভিপি অমর কৃষ্ণদাস সহ অনেকেই গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করে। আমি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন, নিয়ামুল হাকিমসাজু, মাছুম, মাজেদুল হক তালুকদার রতন, হালিম মন্ডল, মিলন, আক্কাস রানাসহ আরও অনেকেই আওয়ামী লীগ জোটগত সরকার গঠন করলে গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করি।

ডিটেনশন সহ সাড়ে তিনমাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করি। ইতিমধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ অনেকেই মুক্তি লাভ করেছে।
আগেই উল্লেখ করেছি, ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ সরকারী কলেজ দখল করে নিয়েছে। তারপর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানার নেতৃত্বে কিছুসংখ্যক ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কলেজের উত্তর দিক দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। সাথে আমিও ছিলাম এবং আমিই শ্লোগান দিতে থাকি, আমরা আমগাছতলার নিকট পৌছলে ২২ বছর পর সদ্য ক্ষমতা পাওয়া উৎফুল্ল ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর নগ্ন হামলায় চালায়। আমরা সংখ্যায় হামলাকারীদের সংখ্যার চাইতে খুবই কম, আমরা হতচকিত, কিংকর্তব্যবিমূঢ়, আমাদের মনের সাহস ও মুখের শ্লোগান ছিল,ছিলোনা হাতে কিছুই, আমরা ডিফেন্স করে কৌশলে পিছাতে থাকি, এক পর্যায় ছাত্রলীগ আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে আঘাত করতে থাকে, জাসাসের জাহিদকে (গভর্নর) ছুরিকাঘাত করলে তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে শ্লোগান দিতে দিতে আমরা প্রিয় ক্যাম্পাস ত্যাগ করি, আমরা অনেকেই আহত হয়ে ছিলাম, আবারও কারাবরণ করি। আমি যুবদল হয়েও কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের মিছিলে সেদিন শেষ শ্লোগান দিয়ে ছিলাম, ২০০১ সনে আবারও সরকারী কলেজে ছাত্রদল সদর্পে স্বমহিমায় ফিরে এসে ছিলো।
বিএনপির হিসেবের খাতায় আমি ছাত্রদলের সোনালী ফসল নই, তবুও উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার ধারক বাহক মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মিছিলে হাজারো বার,লক্ষবার শ্লোগান দিয়েছি,” স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া লও লও লও ছালাম,মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়া লও লও লও সালাম,দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া,নেত্রী মোদের খালেদা গর্ব মোদের আলাদা,খালেদা জিয়ার মনের বল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,শিক্ষা ঐক্য প্রগতি ছাত্রদলের মূলনীতি।”
আজ সোমবার ( ২৫ আগষ্ট ২০২৫) দুপুরে পেশাগতকাজে গিয়েছিলাম স্মৃতি বিজড়িত সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে, সেখানেই দেখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এ সময়ের সাহসী তুর্কী জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা জহুরুল ইসলাম ও সালাউদ্দিনের সাথে, তাদের সাথে ছিলো ছাত্রদলের কর্মী জাকির হোসেন।
মনে পড়ে যায়, ২০২৪ সনের ৭ জানুয়ারি তথাকথিত ডামি নির্বাচন বর্জনের আন্দোলনের শুরুতেই সিরাজগঞ্জ শহরের কালিবাড়ী রোডেই রাতে প্রথম মশাল নিয়ে ঝটিকা মিছিলের নেতৃত্বে ছিলো জেলা ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম।

সালাউদ্দিনের পরিবারের সাথে আমার আত্নীক সম্পর্ক। সালাউদ্দিনের বড় ভাই ছাত্রদলের সাহসী নেতা খালিদ ছিলো আমার জেল পার্টনার। বিস্ফোরক আইনে তার সাজা হয়েছিল। আর এক ভাই উদীয়মান শিল্প উদ্যোক্তা মরহুম তারিক এক এগারো তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃশাসনে বিএনপি চরম কান্তিকালে ছাত্রদলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে ছিলো। ওদের পিতা শ্রদ্ধাভাজন বাবলু ভাই জেলা বিএনপির উপদেষ্টা। তার জীর্ণশীর্ণ ড্রয়িংরুম ছিলো এক সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়ের জায়গা। আপ্যায়িত না হয়ে সেখান থেকে কেউ ফিরে আসতে পারতো না। আমি যখন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব সহ প্রচার সম্পাদক তখন বাবলু ভাইয়ের জীর্ণশীর্ণ বসার ঘরই ছিলো আমার ঘর, যেখান থেকে বিএনপির দাপ্তরিক ও প্রচার কাজ এবং নিজের পেশাগত কাজ করে যেতাম।।
ইবিরোডে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের হামলায় বিএনপি সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষের সময় সালাউদ্দিনই ছবি ও ভিডিও তুলে আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে পাঠিয়ে দিতো।
আজকের মতো শেষ করছি, মিনি পার্লামেন্ট খ্যাত ডাকসু নির্বাচনে কথা দিয়ে ‘নব্বইয়ের চেতনা, চব্বিশের প্রেরণা
ছাত্রদলের প্যানেল জয়ের সূচনা।”

লেখক: হারুন অর রশিদ খান হাসান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের আহবায়ক
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি
সভাপতি
সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব
২৫ আগষ্ট ২০২৫

ট্যাগ :
89
Created on
আপনার মতামত দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ক্ষমতায় দেখতে চান ?

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

” ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবেই -ইনশাআল্লাহ “

আপডেট টাইম : ০৫:০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

হারুন অর রশিদ খান হাসান

(মন্তব্য প্রতিবেদন) 

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে বানিজ্য বিভাগে আমার শিক্ষাকাল ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩ সন পর্যন্ত। কুখ্যাত মজিদ খানের শিক্ষানীতি বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনসহ ১৯৮৩ সন থেকে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন সহ ১৯৯৬ সনের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬ আসন পেয়ে জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দলের সমর্থন নিয়ে জোটগত সরকার গঠন করলে ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজসহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরদখলের মতো দখল করে নেওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ ১৩ বছর যুবদলের নেতৃত্বে থেকেই ছাত্রদলের সাথে কলেজের সকল মিছিল মিটিংয়ে ও সাংগঠনিক- সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত ছিলাম,তখন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাকে ছাত্রদলেরই একজনই মনে করতো।

আগেই উল্লেখ করেছি,১৯৯৬ সনে সংখ্যাগরিষ্ঠ না পোয়েও বিএনপির এককভাবে বিজয়ী ১১৬ আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগ ১৪৬ আসনে জিতে জোটগত সমর্থন সরকার গঠন করে।
নির্বাচনের আগে জেলা যুবদলের সভাপতি এরশাদুর রহমান নীরু,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজুমুল হাসান তালুকদার রানা, ভিপি অমর কৃষ্ণদাস সহ অনেকেই গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করে। আমি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন, নিয়ামুল হাকিমসাজু, মাছুম, মাজেদুল হক তালুকদার রতন, হালিম মন্ডল, মিলন, আক্কাস রানাসহ আরও অনেকেই আওয়ামী লীগ জোটগত সরকার গঠন করলে গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করি।

ডিটেনশন সহ সাড়ে তিনমাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করি। ইতিমধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ অনেকেই মুক্তি লাভ করেছে।
আগেই উল্লেখ করেছি, ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ সরকারী কলেজ দখল করে নিয়েছে। তারপর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানার নেতৃত্বে কিছুসংখ্যক ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কলেজের উত্তর দিক দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। সাথে আমিও ছিলাম এবং আমিই শ্লোগান দিতে থাকি, আমরা আমগাছতলার নিকট পৌছলে ২২ বছর পর সদ্য ক্ষমতা পাওয়া উৎফুল্ল ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর নগ্ন হামলায় চালায়। আমরা সংখ্যায় হামলাকারীদের সংখ্যার চাইতে খুবই কম, আমরা হতচকিত, কিংকর্তব্যবিমূঢ়, আমাদের মনের সাহস ও মুখের শ্লোগান ছিল,ছিলোনা হাতে কিছুই, আমরা ডিফেন্স করে কৌশলে পিছাতে থাকি, এক পর্যায় ছাত্রলীগ আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে আঘাত করতে থাকে, জাসাসের জাহিদকে (গভর্নর) ছুরিকাঘাত করলে তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে শ্লোগান দিতে দিতে আমরা প্রিয় ক্যাম্পাস ত্যাগ করি, আমরা অনেকেই আহত হয়ে ছিলাম, আবারও কারাবরণ করি। আমি যুবদল হয়েও কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের মিছিলে সেদিন শেষ শ্লোগান দিয়ে ছিলাম, ২০০১ সনে আবারও সরকারী কলেজে ছাত্রদল সদর্পে স্বমহিমায় ফিরে এসে ছিলো।
বিএনপির হিসেবের খাতায় আমি ছাত্রদলের সোনালী ফসল নই, তবুও উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার ধারক বাহক মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মিছিলে হাজারো বার,লক্ষবার শ্লোগান দিয়েছি,” স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া লও লও লও ছালাম,মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়া লও লও লও সালাম,দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া,নেত্রী মোদের খালেদা গর্ব মোদের আলাদা,খালেদা জিয়ার মনের বল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,শিক্ষা ঐক্য প্রগতি ছাত্রদলের মূলনীতি।”
আজ সোমবার ( ২৫ আগষ্ট ২০২৫) দুপুরে পেশাগতকাজে গিয়েছিলাম স্মৃতি বিজড়িত সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে, সেখানেই দেখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এ সময়ের সাহসী তুর্কী জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা জহুরুল ইসলাম ও সালাউদ্দিনের সাথে, তাদের সাথে ছিলো ছাত্রদলের কর্মী জাকির হোসেন।
মনে পড়ে যায়, ২০২৪ সনের ৭ জানুয়ারি তথাকথিত ডামি নির্বাচন বর্জনের আন্দোলনের শুরুতেই সিরাজগঞ্জ শহরের কালিবাড়ী রোডেই রাতে প্রথম মশাল নিয়ে ঝটিকা মিছিলের নেতৃত্বে ছিলো জেলা ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম।

সালাউদ্দিনের পরিবারের সাথে আমার আত্নীক সম্পর্ক। সালাউদ্দিনের বড় ভাই ছাত্রদলের সাহসী নেতা খালিদ ছিলো আমার জেল পার্টনার। বিস্ফোরক আইনে তার সাজা হয়েছিল। আর এক ভাই উদীয়মান শিল্প উদ্যোক্তা মরহুম তারিক এক এগারো তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃশাসনে বিএনপি চরম কান্তিকালে ছাত্রদলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে ছিলো। ওদের পিতা শ্রদ্ধাভাজন বাবলু ভাই জেলা বিএনপির উপদেষ্টা। তার জীর্ণশীর্ণ ড্রয়িংরুম ছিলো এক সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়ের জায়গা। আপ্যায়িত না হয়ে সেখান থেকে কেউ ফিরে আসতে পারতো না। আমি যখন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব সহ প্রচার সম্পাদক তখন বাবলু ভাইয়ের জীর্ণশীর্ণ বসার ঘরই ছিলো আমার ঘর, যেখান থেকে বিএনপির দাপ্তরিক ও প্রচার কাজ এবং নিজের পেশাগত কাজ করে যেতাম।।
ইবিরোডে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের হামলায় বিএনপি সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষের সময় সালাউদ্দিনই ছবি ও ভিডিও তুলে আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে পাঠিয়ে দিতো।
আজকের মতো শেষ করছি, মিনি পার্লামেন্ট খ্যাত ডাকসু নির্বাচনে কথা দিয়ে ‘নব্বইয়ের চেতনা, চব্বিশের প্রেরণা
ছাত্রদলের প্যানেল জয়ের সূচনা।”

লেখক: হারুন অর রশিদ খান হাসান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের আহবায়ক
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি
সভাপতি
সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাব
২৫ আগষ্ট ২০২৫