সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছেন ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী

প্রতীকী। ছবি : সংগৃহীত

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। কর্মসূচির প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারীপ্রধান পরিবারে এ দেওয়া হবে।

 

 

সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

 

 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

মো. জাহিদ হোসেন বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও জানান, পাইলটিং পর্যায়ে নির্বাচিত উপকারভোগীরা মাসিক আড়াইহাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

 

 

জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্যকোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেলে সেক্ষেত্রে সেই সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের প্রাপ্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত রাখতে পারবেন।

 

 

তিনি জানান, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে উপকারভোগী পরিবার নির্বাচন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, গৃহস্থালি সামগ্রী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট পদ্ধতিতে পরিবারগুলোকে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।

 

 

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

 

 

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবারকে একটি করে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাকরি দিচ্ছে আরএফএল গ্রুপ, থাকছে বাড়তি সুবিধা

প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছেন ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী

আপডেট টাইম : ০৮:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। কর্মসূচির প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারীপ্রধান পরিবারে এ দেওয়া হবে।

 

 

সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

 

 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

মো. জাহিদ হোসেন বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও জানান, পাইলটিং পর্যায়ে নির্বাচিত উপকারভোগীরা মাসিক আড়াইহাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

 

 

জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্যকোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেলে সেক্ষেত্রে সেই সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের প্রাপ্য ভাতা গ্রহণ অব্যাহত রাখতে পারবেন।

 

 

তিনি জানান, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে উপকারভোগী পরিবার নির্বাচন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, গৃহস্থালি সামগ্রী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট পদ্ধতিতে পরিবারগুলোকে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।

 

 

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

 

 

মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবারকে একটি করে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে।