সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যেন শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, তেমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

 

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘বৌদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের নীতি হলো : ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মহামতি গৌতম বুদ্ধের ‘পঞ্চশীল’ নীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকার যে শিক্ষা গৌতম বুদ্ধ দিয়ে গেছেন, তা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

 

রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যদি নিজ নিজ ধর্মীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেন, তবে আমরা সবাই মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণ করতে পারব।’

নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী- এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিল না।

 

হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার-আমার, আমাদের সবার।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, এই দর্শনই দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। সুতরাং, আপনারা কেউ নিজেদের কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমাদের সবার, আমাদের পরিচয় আমরা সবাই ‘বাংলাদেশি’।’

 

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি-নীতি ও অধিকার বিনা বাধায় এবং স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।

 

পরিশেষে, বৌদ্ধ পূর্ণিমার এই বিশেষ দিনটি সবার জন্য আনন্দময় ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠুক- এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০২:২৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যেন শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, তেমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

 

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘বৌদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের নীতি হলো : ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মহামতি গৌতম বুদ্ধের ‘পঞ্চশীল’ নীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকার যে শিক্ষা গৌতম বুদ্ধ দিয়ে গেছেন, তা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

 

রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যদি নিজ নিজ ধর্মীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেন, তবে আমরা সবাই মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণ করতে পারব।’

নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী- এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিল না।

 

হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার-আমার, আমাদের সবার।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, এই দর্শনই দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। সুতরাং, আপনারা কেউ নিজেদের কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমাদের সবার, আমাদের পরিচয় আমরা সবাই ‘বাংলাদেশি’।’

 

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি-নীতি ও অধিকার বিনা বাধায় এবং স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব।

 

পরিশেষে, বৌদ্ধ পূর্ণিমার এই বিশেষ দিনটি সবার জন্য আনন্দময় ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠুক- এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।