সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

জ্বিন তাড়ানো কবিরাজি চিকিৎসার নামে এসএসসি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

গ্রেপ্তার কবিরাজকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ায় জ্বিন তাড়ানোর কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

 

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

 

গ্রেপ্তার কবিরাজের নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)। তিনি নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন ‘আশ-সিফা দাওয়া খানা’ নামে প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করতেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রোববার (৩ মে) সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়াখানায় যান তিনি।

 

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং সবাইকে বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।

 

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার যেতে বলেন অভিযুক্ত কবিরাজ। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কিশোরীকে আবারও কক্ষে নিয়ে একইভাবে ধর্ষণ করা হয়।

 

 

 

পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করে।

 

 

 

বগুড়া সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

জ্বিন তাড়ানো কবিরাজি চিকিৎসার নামে এসএসসি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

আপডেট টাইম : ১০:৩২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বগুড়ায় জ্বিন তাড়ানোর কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

 

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

 

গ্রেপ্তার কবিরাজের নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)। তিনি নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন ‘আশ-সিফা দাওয়া খানা’ নামে প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করতেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে রোববার (৩ মে) সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়াখানায় যান তিনি।

 

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কিশোরীর ওপর ‘জিনের আসর’ রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং সবাইকে বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।

 

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার যেতে বলেন অভিযুক্ত কবিরাজ। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কিশোরীকে আবারও কক্ষে নিয়ে একইভাবে ধর্ষণ করা হয়।

 

 

 

পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করে।

 

 

 

বগুড়া সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।