সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী নিহত

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 55

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভে প্রাণ হারালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালনাথ খানালের স্ত্রী রাজ্যলক্ষ্মী চিত্রকর। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনকারীরা তার বাড়িতে ঢুকে আগুন দেয়। ওই সময় তিনি ঘরের মধ্যে ছিলেন। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

ঘটনাটি ঘটেছে দাল্লু এলাকায় অবস্থিত পরিবারের বাসভবনে। শত শত বিক্ষোভকারী বাড়িটি ঘিরে ফেলে আগুন ধরিয়ে দেন। ভেতরে আটকা পড়েন রাজ্যলক্ষ্মী। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কীর্তিপুর বার্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ১৯ বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই আন্দোলনকারীদের সহিংসতা বেড়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের মূল ভবনে আগুন দেয় এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীর বাড়ি লক্ষ্য করে হানা দেয়। বেশিরভাগ মন্ত্রীর বাড়ি পুড়ে গেছে। এমনকি কেপি শর্মা ওলির পৈতৃক বাড়িতেও আগুন ধরানো হয়েছে।

এই সহিংসতার মধ্যেই কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। কিন্তু আন্দোলনের মাত্রা কমার পরিবর্তে আরও বৃদ্ধি পায়, যা নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে তীব্র করে তুলেছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী নিহত

আপডেট টাইম : ০৯:০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভে প্রাণ হারালেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালনাথ খানালের স্ত্রী রাজ্যলক্ষ্মী চিত্রকর। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনকারীরা তার বাড়িতে ঢুকে আগুন দেয়। ওই সময় তিনি ঘরের মধ্যে ছিলেন। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

ঘটনাটি ঘটেছে দাল্লু এলাকায় অবস্থিত পরিবারের বাসভবনে। শত শত বিক্ষোভকারী বাড়িটি ঘিরে ফেলে আগুন ধরিয়ে দেন। ভেতরে আটকা পড়েন রাজ্যলক্ষ্মী। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কীর্তিপুর বার্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ১৯ বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই আন্দোলনকারীদের সহিংসতা বেড়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের মূল ভবনে আগুন দেয় এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীর বাড়ি লক্ষ্য করে হানা দেয়। বেশিরভাগ মন্ত্রীর বাড়ি পুড়ে গেছে। এমনকি কেপি শর্মা ওলির পৈতৃক বাড়িতেও আগুন ধরানো হয়েছে।

এই সহিংসতার মধ্যেই কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। কিন্তু আন্দোলনের মাত্রা কমার পরিবর্তে আরও বৃদ্ধি পায়, যা নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে তীব্র করে তুলেছে।