সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

৪৭তম বিসিএসে ২১৬৭ ক্যাডার পদ ফাঁকা, ব্যাখ্যা দিল পিএসসি

৪৭তম বিসিএস। পুরোনো ছবি

৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হলেও বিজ্ঞপ্তিতে থাকা তিন হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার পদের মধ্যে দুই হাজার ১৬৭টি পদই ফাঁকা থেকে গেছে।

 

 

 

পিএসসি জানিয়েছে, বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও কারিগরি ক্যাডারগুলোয় প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী না পাওয়ায় এসব পদে কাউকে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি।

 

 

 

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডারে ২০১ জনকে সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন এক হাজার ৫২১ জন।

যদিও মূল বিজ্ঞপ্তিতে তিন হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার পদ থাকলেও এর মধ্যে দুই হাজার ১৬৭টি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।

 

পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞপ্তির তুলনায় এত কমসংখ্যক প্রার্থী সুপারিশ পাওয়ার প্রধান কারণ হলো টেকনিক্যাল বা কারিগরি ক্যাডারগুলোয় প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর অভাব। বিশেষ করে শিক্ষা, চিকিৎসাসংক্রান্ত এবং প্রকৌশল ক্যাডারের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অনেক প্রার্থী পিএসসির নির্ধারিত ন্যূনতম পাস নম্বর অর্জন করতে পারেননি।

 

 

ফলে উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় এসব ক্যাডারের পদ পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

৪৭তম বিসিএসে ২১৬৭ ক্যাডার পদ ফাঁকা, ব্যাখ্যা দিল পিএসসি

আপডেট টাইম : ০১:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হলেও বিজ্ঞপ্তিতে থাকা তিন হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার পদের মধ্যে দুই হাজার ১৬৭টি পদই ফাঁকা থেকে গেছে।

 

 

 

পিএসসি জানিয়েছে, বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও কারিগরি ক্যাডারগুলোয় প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী না পাওয়ায় এসব পদে কাউকে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি।

 

 

 

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডারে ২০১ জনকে সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন এক হাজার ৫২১ জন।

যদিও মূল বিজ্ঞপ্তিতে তিন হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার পদ থাকলেও এর মধ্যে দুই হাজার ১৬৭টি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।

 

পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞপ্তির তুলনায় এত কমসংখ্যক প্রার্থী সুপারিশ পাওয়ার প্রধান কারণ হলো টেকনিক্যাল বা কারিগরি ক্যাডারগুলোয় প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর অভাব। বিশেষ করে শিক্ষা, চিকিৎসাসংক্রান্ত এবং প্রকৌশল ক্যাডারের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অনেক প্রার্থী পিএসসির নির্ধারিত ন্যূনতম পাস নম্বর অর্জন করতে পারেননি।

 

 

ফলে উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় এসব ক্যাডারের পদ পূরণ করা সম্ভব হয়নি।