সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নতুন পথে প্রত্যাবর্তন তিন জেলার ৬৫ চরমপন্থীর Logo রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত, চেক ও সনদ বিতরণ Logo করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ-এটা একটা হাদিস’ Logo বেলকুচিতে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন Logo রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo ছাতিয়ানতলী মোড়গ্রাম টেকনিক্যালে এন্ড বিএম কলেজের ফলাফল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ Logo সোমবার থেকে ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু, ফি ৮-১০ হাজার টাকা Logo সৌদি আরবে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি Logo তাহসিফ হত্যা মামলা: হত্যার আগে সঙ্গে বারে দেখা যাওয়া সেই তরুণী গ্রেপ্তার Logo দিল্লিতে বিরোধীদলের বিক্ষোভ মিছিল, নিরাপত্তা জোরদার
এইচএসসি ও সমমান

১৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে সিলেট বোর্ডে পাসের হার নেমে ৫০.৯০ শতাংশে

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত ১৩ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটিই কমেছে।

 

 

 

 

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস বেগম। এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য পরীক্ষার্থী ছিল ৭২ হাজার ৭৪৫ জন।

 

 

 

 

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২০২৫ সালে সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ০ দশমিক ৯৬ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩৯৮ জন।

 

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার সিলেট বোর্ডের ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ২০২৩ সালে ৭১ দশমিক ৬২ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এছাড়া ২০২০ সালে পাসের হার ছিল শতভাগ। ২০১৯ সালে ৬৭ দশমিক ০৫ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭৩ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৭৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

 

 

 

 

বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই বছর আগের বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ফলাফল প্রস্তুত করে সবাইকে পাস করানো হয়েছিল।

 

 

 

অন্যদিকে, ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার কিছু নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হয়েছিল। ফলে ওই দুই বছরের পাসের হার স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল।

জনতার কন্ঠ/এস এ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন পথে প্রত্যাবর্তন তিন জেলার ৬৫ চরমপন্থীর

এইচএসসি ও সমমান

১৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে সিলেট বোর্ডে পাসের হার নেমে ৫০.৯০ শতাংশে

আপডেট টাইম : ১২:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত ১৩ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটিই কমেছে।

 

 

 

 

 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস বেগম। এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য পরীক্ষার্থী ছিল ৭২ হাজার ৭৪৫ জন।

 

 

 

 

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২০২৫ সালে সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ০ দশমিক ৯৬ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩৯৮ জন।

 

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার সিলেট বোর্ডের ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ২০২৩ সালে ৭১ দশমিক ৬২ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এছাড়া ২০২০ সালে পাসের হার ছিল শতভাগ। ২০১৯ সালে ৬৭ দশমিক ০৫ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৭৩ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৭২ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৭৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।

 

 

 

 

বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই বছর আগের বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ফলাফল প্রস্তুত করে সবাইকে পাস করানো হয়েছিল।

 

 

 

অন্যদিকে, ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার কিছু নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হয়েছিল। ফলে ওই দুই বছরের পাসের হার স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল।

জনতার কন্ঠ/এস এ