আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে লোডশেডিং কিছুটা কমানোর আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেছেন, জ্বালানির দাম ৩২ ডলারে পৌঁছেছে।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর বিকল্প নেই।
রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, গত আট মাস ধরে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করছে সরকার। আগামী ৩ থেকে ৪ নভেম্বর ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে।দেশের মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত করতেই এ আয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে উপস্থিত থাকবেন।প্রধানমন্ত্রীর বাসায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও অফ-গ্রিড হয়ে গেছেন। নিজের বাসায় তিনি আর জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন না।
দেশে নতুন কোনো কূপ খনন না হওয়ায় বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা চলছে। সংকট উত্তরণে সরকার সব ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এক্সপোতে সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, স্মার্ট গ্রিড ও ব্যাটারি স্টোরেজ প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। আগামী গ্রীষ্মে যেন চলতি বছরের মতো বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে না হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ চলছে।
জনতার কণ্ঠ / কেএম

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 

















