সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

আন্ত:জেলা ডাকাত সর্দার কেচুকে আটক করে পুলিশে দিলো স্বজনরা

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সর্দার রাশেদুল ইসলাম কেচুকে (৩৮) আট করে পুলিশে দিলো তার পরিবার। কেচুর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অপহরণ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

 

রোববার (১ মার্চ) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে।

 

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, আন্তঃ জেলা ডাকাত সর্দার রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু নিজ বাড়িতে থাকতেন না। স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের স্বজনরাও তার কার্যক্রমে অতিষ্ঠ ছিল। শনিবার ভোরে তিনি বাড়িতে এলে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বজনরা তাকে আটকে রেখে ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্ষে ভর্তি করে। এরপর রবিবার হাসপাতাল তাকে ছাড়পত্র দিলে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছ থেকে তথ্য প্রমাণের ভিত্তীতে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

তিনি বলেন, ডাকাত সর্দার রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচুর বিরুদ্ধে কামারখন্দসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, খুন, দস্যুতা, অপহরণ, মাদকসহ ১৫টি মামলা বিচারাধীন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

আন্ত:জেলা ডাকাত সর্দার কেচুকে আটক করে পুলিশে দিলো স্বজনরা

আপডেট টাইম : ০৬:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সর্দার রাশেদুল ইসলাম কেচুকে (৩৮) আট করে পুলিশে দিলো তার পরিবার। কেচুর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অপহরণ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

 

রোববার (১ মার্চ) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে।

 

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, আন্তঃ জেলা ডাকাত সর্দার রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু নিজ বাড়িতে থাকতেন না। স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের স্বজনরাও তার কার্যক্রমে অতিষ্ঠ ছিল। শনিবার ভোরে তিনি বাড়িতে এলে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বজনরা তাকে আটকে রেখে ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্ষে ভর্তি করে। এরপর রবিবার হাসপাতাল তাকে ছাড়পত্র দিলে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছ থেকে তথ্য প্রমাণের ভিত্তীতে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

তিনি বলেন, ডাকাত সর্দার রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচুর বিরুদ্ধে কামারখন্দসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, খুন, দস্যুতা, অপহরণ, মাদকসহ ১৫টি মামলা বিচারাধীন।