সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ওসমান হাদির স্ত্রীকে চাকরির প্রস্তাব: প্রধান উপদেষ্টাকে যা বললেন তিনি

ছবি : সংগৃহীত

শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পাকে যমুনায় ডেকেছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মূলত হাদির সন্তানকে দেখাশোনা করার যে সরকারি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সে জন্যই মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) তাকে ডাকা হয়েছিল।

 

 

বিষয়টি শম্পা নিজেই সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো, মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোনগুলোকে নির্যাতনের স্বীকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, এক পক্ষ এখনো সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর।’

 

 

ওসমান হাদির বিষয়ে ড. ইউনূসের প্রচেষ্টা সম্পর্কে শম্পা বলেন, ‘যাই হোক, আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না। পরে বুঝতে পেরেছি ফিরনাসের দেখাশোনার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্য আমাদের আসতে বলা। আমি তাকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনি কি আমার স্বামীর বিচারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তার হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে, যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত তিনি যাবেন হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে।’

 

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপকালে চাকরির বিষয়ে হাদির স্ত্রী বলেন, ‘আমার ভাইবোনগুলোর ওপরে যে হামলা করা হয়েছে, তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি যে, আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেব। আপনি ফিরনাসের জন্য যা করেছেন, অনেক শুকরিয়া। তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন, আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সে আশ্বাস পেয়েই আমি ওখান থেকে এসেছি।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ওসমান হাদির স্ত্রীকে চাকরির প্রস্তাব: প্রধান উপদেষ্টাকে যা বললেন তিনি

আপডেট টাইম : ০৪:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পাকে যমুনায় ডেকেছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মূলত হাদির সন্তানকে দেখাশোনা করার যে সরকারি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সে জন্যই মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) তাকে ডাকা হয়েছিল।

 

 

বিষয়টি শম্পা নিজেই সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো, মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোনগুলোকে নির্যাতনের স্বীকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, এক পক্ষ এখনো সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর।’

 

 

ওসমান হাদির বিষয়ে ড. ইউনূসের প্রচেষ্টা সম্পর্কে শম্পা বলেন, ‘যাই হোক, আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না। পরে বুঝতে পেরেছি ফিরনাসের দেখাশোনার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্য আমাদের আসতে বলা। আমি তাকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনি কি আমার স্বামীর বিচারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তার হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে, যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত তিনি যাবেন হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে।’

 

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপকালে চাকরির বিষয়ে হাদির স্ত্রী বলেন, ‘আমার ভাইবোনগুলোর ওপরে যে হামলা করা হয়েছে, তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি যে, আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেব। আপনি ফিরনাসের জন্য যা করেছেন, অনেক শুকরিয়া। তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন, আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সে আশ্বাস পেয়েই আমি ওখান থেকে এসেছি।’