সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী Logo বন্যার অবনতি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার Logo ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো Logo রায়গঞ্জে ভ্যানচালক জাহের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন বেলকুচি পৌরসভার সেই প্রকৌশলী Logo কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক–মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১ Logo যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালাল ইসরায়েল, ৮ জন নিহত Logo যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ: সারাহ কুক

ছাত্রদলের শীর্ষ পদে আলোচনায় কে এই তারিক?

তরিকুল ইসলাম তারিক। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘিরে সংগঠনজুড়ে তৈরি হয়েছে জোর আলোচনা, সমর্থন ও মূল্যায়নের নানা সমীকরণ। মাঠের কর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যেও তাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা যশোর অঞ্চলে জন্ম নেওয়া তরিকুল ইসলাম তারিকের বেড়ে ওঠা সাধারণ পরিবেশে। শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক ধাপ শেষ করে তিনি ভর্তি হন যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি। বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। একাডেমিক দিক থেকে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি তিনি ছাত্ররাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ড – দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে সক্রিয় থেকেছেন।

 

 

তারিকের রাজনৈতিক যাত্রা মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। হল রাজনীতিতে নেতৃত্বের সক্ষমতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তাকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে এসব যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এসে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কর্মী সমন্বয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।

রাজনীতির মাঠে তরিকুল ইসলাম তারিককে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এনেছে তার আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি। বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন।

 

এ সময় একাধিকবার গুলিবিদ্ধ ও আহত হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে, যা তাকে ত্যাগী ও ঝুঁকি নেওয়া নেতাদের কাতারে স্থান করে দিয়েছে -এমনটাই মনে করছেন তার অনুসারীরা।

 

 

দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন তরিকুল ইসলাম তারিক। এক আবেগঘন খোলা চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জিয়া পরিবারের প্রতি তার কমিটমেন্টে কখনো কোনো ঘাটতি ছিল না। স্বার্থ বা প্রাপ্তির জন্য নয়, আদর্শের জায়গা থেকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি।

 

 

তিনি আরও তুলে ধরেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে পরিবার থেকে দূরে থাকার অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও ধৈর্যের কথা। তার বক্তব্যে স্পষ্ট নিজেকে তিনি একজন আদর্শিক কর্মী হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে চান। রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাও তারিকের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শৈশব থেকেই সমাজসেবার প্রতি আগ্রহী এই নেতা ইতোমধ্যে ৪৪ বার রক্তদান করেছেন যা তরুণ সমাজের জন্য একটি অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

 

তার উদ্যোগে নিজ গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ বিষয়ে কর্মশালা আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা, মতবিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়।

 

 

এছাড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নজিরও রয়েছে তার। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। এর আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভর্তি ব্যয় বহন করেছেন বলে জানা গেছে।

 

 

রাজনীতির মাঠে তরিকুল ইসলাম তারিককে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এনেছে তার আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি। বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন।

 

 

এ সময় একাধিকবার গুলিবিদ্ধ ও আহত হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে, যা তাকে ত্যাগী ও ঝুঁকি নেওয়া নেতাদের কাতারে স্থান করে দিয়েছে -এমনটাই মনে করছেন তার অনুসারীরা।

 

 

দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন তরিকুল ইসলাম তারিক। এক আবেগঘন খোলা চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জিয়া পরিবারের প্রতি তার কমিটমেন্টে কখনো কোনো ঘাটতি ছিল না। স্বার্থ বা প্রাপ্তির জন্য নয়, আদর্শের জায়গা থেকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। তিনি আরও তুলে ধরেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে পরিবার থেকে দূরে থাকার অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও ধৈর্যের কথা। তার বক্তব্যে স্পষ্ট নিজেকে তিনি একজন আদর্শিক কর্মী হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে চান।

 

 

রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাও তারিকের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শৈশব থেকেই সমাজসেবার প্রতি আগ্রহী এই নেতা ইতোমধ্যে ৪৪ বার রক্তদান করেছেন যা তরুণ সমাজের জন্য একটি অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

 

তার উদ্যোগে নিজ গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ বিষয়ে কর্মশালা আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা, মতবিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়।

 

 

এছাড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নজিরও রয়েছে তার। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। এর আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভর্তি ব্যয় বহন করেছেন বলে জানা গেছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী

ছাত্রদলের শীর্ষ পদে আলোচনায় কে এই তারিক?

আপডেট টাইম : ০৮:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘিরে সংগঠনজুড়ে তৈরি হয়েছে জোর আলোচনা, সমর্থন ও মূল্যায়নের নানা সমীকরণ। মাঠের কর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যেও তাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা যশোর অঞ্চলে জন্ম নেওয়া তরিকুল ইসলাম তারিকের বেড়ে ওঠা সাধারণ পরিবেশে। শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক ধাপ শেষ করে তিনি ভর্তি হন যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি। বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। একাডেমিক দিক থেকে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি তিনি ছাত্ররাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ড – দুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে সক্রিয় থেকেছেন।

 

 

তারিকের রাজনৈতিক যাত্রা মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখা ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। হল রাজনীতিতে নেতৃত্বের সক্ষমতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তাকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে এসব যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এসে তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কর্মী সমন্বয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।

রাজনীতির মাঠে তরিকুল ইসলাম তারিককে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এনেছে তার আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি। বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন।

 

এ সময় একাধিকবার গুলিবিদ্ধ ও আহত হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে, যা তাকে ত্যাগী ও ঝুঁকি নেওয়া নেতাদের কাতারে স্থান করে দিয়েছে -এমনটাই মনে করছেন তার অনুসারীরা।

 

 

দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন তরিকুল ইসলাম তারিক। এক আবেগঘন খোলা চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জিয়া পরিবারের প্রতি তার কমিটমেন্টে কখনো কোনো ঘাটতি ছিল না। স্বার্থ বা প্রাপ্তির জন্য নয়, আদর্শের জায়গা থেকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি।

 

 

তিনি আরও তুলে ধরেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে পরিবার থেকে দূরে থাকার অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও ধৈর্যের কথা। তার বক্তব্যে স্পষ্ট নিজেকে তিনি একজন আদর্শিক কর্মী হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে চান। রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাও তারিকের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শৈশব থেকেই সমাজসেবার প্রতি আগ্রহী এই নেতা ইতোমধ্যে ৪৪ বার রক্তদান করেছেন যা তরুণ সমাজের জন্য একটি অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

 

তার উদ্যোগে নিজ গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ বিষয়ে কর্মশালা আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা, মতবিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়।

 

 

এছাড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নজিরও রয়েছে তার। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। এর আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভর্তি ব্যয় বহন করেছেন বলে জানা গেছে।

 

 

রাজনীতির মাঠে তরিকুল ইসলাম তারিককে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এনেছে তার আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি। বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন।

 

 

এ সময় একাধিকবার গুলিবিদ্ধ ও আহত হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে, যা তাকে ত্যাগী ও ঝুঁকি নেওয়া নেতাদের কাতারে স্থান করে দিয়েছে -এমনটাই মনে করছেন তার অনুসারীরা।

 

 

দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি নিজের অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন তরিকুল ইসলাম তারিক। এক আবেগঘন খোলা চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জিয়া পরিবারের প্রতি তার কমিটমেন্টে কখনো কোনো ঘাটতি ছিল না। স্বার্থ বা প্রাপ্তির জন্য নয়, আদর্শের জায়গা থেকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। তিনি আরও তুলে ধরেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে পরিবার থেকে দূরে থাকার অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও ধৈর্যের কথা। তার বক্তব্যে স্পষ্ট নিজেকে তিনি একজন আদর্শিক কর্মী হিসেবেই প্রতিষ্ঠা করতে চান।

 

 

রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাও তারিকের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শৈশব থেকেই সমাজসেবার প্রতি আগ্রহী এই নেতা ইতোমধ্যে ৪৪ বার রক্তদান করেছেন যা তরুণ সমাজের জন্য একটি অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

 

তার উদ্যোগে নিজ গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’ বিষয়ে কর্মশালা আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা, মতবিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়।

 

 

এছাড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নজিরও রয়েছে তার। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। এর আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভর্তি ব্যয় বহন করেছেন বলে জানা গেছে।