সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো

ইরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ফের চালু করা হয়েছে। যুদ্ধের জেরে দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর বিমানবন্দরটি থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

 

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা করলে আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপর থেকে ইরানের প্রধান বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকে। এ সময় অন্যান্য বিমানবন্দর চালু করা গেলেও সেটি সচল করা সম্ভব হচ্ছিল। অবশেষে সংস্কারকাজের পর ফ্লাইট শুরু হলো।

 

 

বুধবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিক সময়ে এই বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা ১০ থেকে ১৫টিতে নেমেছে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে।

দেশজুড়ে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই এ বিমানবন্দর সচল করা হয়েছে। তেহরানের দ্বিতীয় বিমানবন্দর ‘মেহরাবাদ’ যুদ্ধে বারবার হামলার শিকার হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত হয় এ বিমানবন্দর। এছাড়া তাবরিজ ও উর্মিয়ার মতো দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো

আপডেট টাইম : ০৩:২২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ফের চালু করা হয়েছে। যুদ্ধের জেরে দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর বিমানবন্দরটি থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

 

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা করলে আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপর থেকে ইরানের প্রধান বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকে। এ সময় অন্যান্য বিমানবন্দর চালু করা গেলেও সেটি সচল করা সম্ভব হচ্ছিল। অবশেষে সংস্কারকাজের পর ফ্লাইট শুরু হলো।

 

 

বুধবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিক সময়ে এই বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা ১০ থেকে ১৫টিতে নেমেছে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে।

দেশজুড়ে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই এ বিমানবন্দর সচল করা হয়েছে। তেহরানের দ্বিতীয় বিমানবন্দর ‘মেহরাবাদ’ যুদ্ধে বারবার হামলার শিকার হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত হয় এ বিমানবন্দর। এছাড়া তাবরিজ ও উর্মিয়ার মতো দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।