সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী Logo বন্যার অবনতি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার Logo ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো Logo রায়গঞ্জে ভ্যানচালক জাহের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন বেলকুচি পৌরসভার সেই প্রকৌশলী Logo কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক–মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১ Logo যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালাল ইসরায়েল, ৮ জন নিহত Logo যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ: সারাহ কুক

তরুণ প্রজন্ম বোঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের ২৭ শতাংশ জনসংখ্যা তরুণ। কিন্তু তারা ‘ইনস্ট্যান্ট কফির’ মতো; ইনস্ট্যান্ট কমেন্ট করে, ইনস্ট্যান্ট রিয়েক্ট করে। তারা গভীরভাবে বিশ্লেষণও করতে চায় না, বুঝতেও চায় না। বোঝার সক্ষমতাও তারা হারিয়ে ফেলেছে।

 

‘এই ২৭ শতাংশ তরুণ ‘ইনস্ট্যান্ট কফির’ মতো আচরণ করে তাহলে আমরা কীভাবে গবেষণার দিকে এগিয়ে যাব,’ প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।

 

রোববার (২৬ এপ্রিল) গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার স্বপ্ন একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ইউনিফর্ম পরেও তাদের শিক্ষক ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বাজে উক্তি করতে দেরি করে না। তার মানে আমাদের ইয়াং জেনারেশনকে নৈতিকতা বিবর্জিত কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি? আমরা কোনো কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।

 

মন্ত্রী বলেন, আপনি কি ভেবে দেখেছেন, এখনকার সময়ে অনেকেই ফেসবুকে লাইভে এসে এমনভাবে মন্তব্য করেন, যা একেবারেই অযাচিত ও অসংলগ্ন। তারা ‘হাই’, ‘গো অ্যাহেড’, ‘ডু আ রিসার্চ’ এ ধরনের নানা মন্তব্য করেন। এটি অনেক সময় উদ্দেশ্যহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ফেসবুক লাইভ দেখা এবং ভাইরাল হওয়ার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

 

এ অবস্থায় আমাদের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রীর মতে, ইউজিসির এই অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে।

 

তিনি বলেন, আমরা দেখছি, আমাদের দেশের উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব অন্য দেশে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেডমার্ক পাচ্ছে, কিন্তু আমরা নিজের দেশে যথাযথভাবে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারছি না, মূলত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী

তরুণ প্রজন্ম বোঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০২:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের ২৭ শতাংশ জনসংখ্যা তরুণ। কিন্তু তারা ‘ইনস্ট্যান্ট কফির’ মতো; ইনস্ট্যান্ট কমেন্ট করে, ইনস্ট্যান্ট রিয়েক্ট করে। তারা গভীরভাবে বিশ্লেষণও করতে চায় না, বুঝতেও চায় না। বোঝার সক্ষমতাও তারা হারিয়ে ফেলেছে।

 

‘এই ২৭ শতাংশ তরুণ ‘ইনস্ট্যান্ট কফির’ মতো আচরণ করে তাহলে আমরা কীভাবে গবেষণার দিকে এগিয়ে যাব,’ প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।

 

রোববার (২৬ এপ্রিল) গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার স্বপ্ন একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ইউনিফর্ম পরেও তাদের শিক্ষক ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বাজে উক্তি করতে দেরি করে না। তার মানে আমাদের ইয়াং জেনারেশনকে নৈতিকতা বিবর্জিত কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি? আমরা কোনো কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।

 

মন্ত্রী বলেন, আপনি কি ভেবে দেখেছেন, এখনকার সময়ে অনেকেই ফেসবুকে লাইভে এসে এমনভাবে মন্তব্য করেন, যা একেবারেই অযাচিত ও অসংলগ্ন। তারা ‘হাই’, ‘গো অ্যাহেড’, ‘ডু আ রিসার্চ’ এ ধরনের নানা মন্তব্য করেন। এটি অনেক সময় উদ্দেশ্যহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ফেসবুক লাইভ দেখা এবং ভাইরাল হওয়ার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

 

এ অবস্থায় আমাদের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রীর মতে, ইউজিসির এই অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে।

 

তিনি বলেন, আমরা দেখছি, আমাদের দেশের উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্ব অন্য দেশে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেডমার্ক পাচ্ছে, কিন্তু আমরা নিজের দেশে যথাযথভাবে তা প্রতিষ্ঠা করতে পারছি না, মূলত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণে।