সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি
রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফেসবুক পোস্ট

দুই পরিবারকেই আল্লাহ ধৈর্য দান করুন

বোরকা পরিহিত মেয়েরা এবং ইসলামি বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। ছবি : সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিয়ের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর নিজের দুই পরিবারের জন্য ধৈর্য ও প্রশান্তি কামনা করেছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশ্যেই তিনি সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

 

 

 

বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

 

 

 

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে— দ্বিতীয় বিয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গোনাহ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।’

নিজের প্রথম স্ত্রীর কষ্টের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়—এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি।’

 

রফিকুল ইসলাম মাদানী আরও লেখেন, ‘কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি— যেন তার মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনো মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন। আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনো কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দু’জনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে— আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।’

আল্লাহ যেন আমার দুই পরিবারকেই ধৈর্য দান করেন

ইনসাফের বিষয়টিকে সবচেয়ে বড় শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জুলুম না করি।’

 

 

শেষে সবার কাছে দোয়া চেয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, ‘আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই—আল্লাহ তা‘আলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন, এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফেসবুক পোস্ট

দুই পরিবারকেই আল্লাহ ধৈর্য দান করুন

আপডেট টাইম : ০৯:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

দ্বিতীয় বিয়ের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর নিজের দুই পরিবারের জন্য ধৈর্য ও প্রশান্তি কামনা করেছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশ্যেই তিনি সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

 

 

 

বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

 

 

 

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে— দ্বিতীয় বিয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গোনাহ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।’

নিজের প্রথম স্ত্রীর কষ্টের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়—এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি।’

 

রফিকুল ইসলাম মাদানী আরও লেখেন, ‘কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি— যেন তার মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনো মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন। আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনো কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দু’জনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে— আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।’

আল্লাহ যেন আমার দুই পরিবারকেই ধৈর্য দান করেন

ইনসাফের বিষয়টিকে সবচেয়ে বড় শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জুলুম না করি।’

 

 

শেষে সবার কাছে দোয়া চেয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, ‘আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই—আল্লাহ তা‘আলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন, এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’