সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক স্বামী-স্ত্রী Logo বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ Logo আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময় দাশকে জামিন দেননি হাইকোর্ট Logo বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও মাদকমুক্ত তামিলনাড়ুর প্রতিশ্রুতি বিজয়ের Logo রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে ‘বাঁশ ব্যারিয়ার: ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খামারিদের স্বস্তি  Logo কোটি টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo রায়গঞ্জে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo রায়গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, লাল নিশানায় চলছে সতর্কতা Logo কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু Logo শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র: প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 28

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস (২৫ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর বাণীটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।

 

সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।

 

 

দেশ এবং জনগণে স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক স্বামী-স্ত্রী

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৪৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস (২৫ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর বাণীটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।

 

সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।

 

 

দেশ এবং জনগণে স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।